জেলা পরিষদ নির্বাচন : সাতক্ষীরায় দুই ইউনিয়নের ভোটার তালিকা স্থগিত


565 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জেলা পরিষদ নির্বাচন : সাতক্ষীরায় দুই ইউনিয়নের ভোটার তালিকা স্থগিত
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি : :
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে দুটি ইউনিয়নের ভোটার তালিকা দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাই কোর্ট।

এ অবস্থায় সাতক্ষীরার জেলা পরিষদ নির্বাচন আটকে গেছে বলে একজন আইনজীবী দাবি করলেও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব‌্য করতে চাননি।

পৃথক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ও রমজাননগর ইউনিয়নের ভোটার তালিকা স্থগিতের আদেশ দেয়।

ওই দুই ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত না করে তৈরি ভোটার তালিকা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছে হাই কোর্ট।

স্থানীয় সরকার সচিব, নির্বাচন কমিশন, সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও শ্যামনগর উপজেলা কর্মকর্তাকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ আদেশের ফলে এখন সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আবেদনকারীদের আইনজীবীরা।

২৮ ডিসেম্বরের জেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ নভেম্বর ভোটার তালিকা প্রকাশ করে।

ওই তালিকায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানসহ রমজাননগর ইউনিয়নের ২০ সদস্যের নাম না আসায় গত রোববার তারা রিট আবেদন করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

মাহবুব উদ্দিন খোকন পরে সাংবাদিকদের বলেন, “এ আদেশের ফলে এখন সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের সুযোগ নেই।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল হাসান  বলেন, “আমরা শুনেছি, তবে নির্দেশনা হাতে পাইনি। এখনই কিছু বলতে পারছি না।”

২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকার ৬১ জেলায় আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেয়। অনির্বাচিত এই প্রশাসকদের মেয়াদ শেষেই ডিসেম্বরে নির্বাচন হচ্ছে।

সংসদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন হলেও জেলা পরিষদ আইনে প্রত্যক্ষ ভোটের বিধান নেই।

আইন অনুযায়ী, প্রতিটি জেলায় স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি জেলায় ১৫ জন সাধারণ ও পাঁচজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন।