জেয়ালা গ্রামে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের পাড়া মেলা


1273 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জেয়ালা গ্রামে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের পাড়া মেলা
এপ্রিল ১২, ২০১৭ কৃষি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ব্রাহ্মি শাক ব্রেইনের জন্য উপকারী। তেলাকচু ডায়াবেটিসের মহৌষধ। কচুর পাতা চোখের জন্য ভাল। আর থানকুনি তো সবার চেনা। এমন সব চেনা-অচেনা বিভিন্ন প্রজাতির শাক কুড়িয়ে এনেছিলেন গ্রামের বধূরা। এই শাক নিয়ে বসেছিল পাড়া মেলা। কোন শাক লতা-পাতার কি গুণ তা জানতে মেলায় এসেছিলেন গ্রামের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সকলেই।

বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জেয়ালা গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এই পাড়া মেলার আয়োজন করে।

মেলায় ২০ জন গৃহবধূ গ্রামের বিভিন্ন জায়গা থেকে কুড়িয়ে এনে কচুর ডাটা, থানকুনি, কলমি, হেলাঞ্চা, সাঞ্চি, বেতশাক, কলার মুচা, ডুমুর, বউটুনি, কাটানুটি, ঘোড়া গাদো, ঘুমশাক, খুদ কলসি শাক, পেপুল, বুনো ধনে পাতাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক প্রজাতির ভেষজ ও খাদ্যগুণ সম্পন্ন শাক-লতাপাতা প্রদর্শন করেন।

এতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শাক প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অধিকার করেন জেয়ালা গ্রামের মরিয়ম বেগম, দ্বিতীয় হন কুলসুম ও তৃতীয় হন জেসমিন আরা। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কৃষি পরামর্শক ইমদাদুল হক, ফকির চাঁদ ঢালি ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নীলকন্ঠ সরকার।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বারসিকের গবেষণা সহকারী আসাদুল ইসলাম, সাঈদুর রহমান ও যুব সংগঠক ফজলুল হক, সাতক্ষীরা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্য ওমর ফারুক রণি, সুমন দাশ প্রমুখ।

মেলায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত এ সব খাদ্যগুণ সম্পন্ন শাক-লতাপাতার ব্যবহার বৃদ্ধি করে গ্রামীণ মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত ও এ গুলো সংরক্ষণের আহবান জানানো হয়।
##