টিকে আছে রামনাগরের পালপাড়া : রপ্তানির অপার সম্ভাবনা


425 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
টিকে আছে রামনাগরের পালপাড়া : রপ্তানির অপার সম্ভাবনা
জানুয়ারি ১৮, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ আসাদুজ্জামান (মুকুল), দরগাহপুর :
দরগাহপুর ইউনিয়নের রামনাগরের পালরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাটি হাড়ি, কলসী, মালসাসহ বিভিন্ন তৈজসপত্র তৈরি করে মিটিয়ে আসছে গ্রামীন জনগোষ্টির দৈনন্দিন তৈজসপত্রের চাহিদা ।
কিন্তু আধুনিক যুগে মাটির তৈজসপত্রের ব্যবহার অনেক কমেছে ফলে চ্যালঞ্জের মুখে পড়েছে তাদের এই পেশা ।
অনেকে পেশা পরিবর্তন  করে অন্য পেশায় ঝুকছেন । তবে আশার কথা এই যে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্ননের ফলে দূর-দুরান্তরের ব্যাবসায়ীরা দাম কম ও মান ভাল হওয়ায় এই পাল পাড়ার তৈরি তৈজসপত্র কিনে নিয়ে ব্যাবসা করছেন।
এখানকার তৈরী জিনিস পত্র বানানোর মাধ্যমে নিজেদের প্রধান পেশা হিসাবে লক্ষ্য প্রকাশ পেয়েছে এখানকার কারীগরদের। মাটির বিভিন্ন রকম জিনিস পত্র তৈরীর মাধ্যমে তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে।
এর মধ্যে ডুমুরিয়া, কলারোয়া, সাতক্ষীরা, আশাশুনি, পাইকগাছ, কয়রাসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারগুলোতে এখানকার তৈরি মাটির তৈজসপত্র বিক্রি হচ্ছে । সরকার যদি এই পালদের উপর একটু সু-নজর দিতেন তাহলে এই পাল পাড়ার তৈরি তৈজসপত্র বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হত।