ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান আর নেই


151 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান আর নেই
জুলাই ১, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি।

ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানাধীন পত্রিকা প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কামরুল হাসান বলেন, লতিফুর রহমান অসুস্থ ছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে গ্রামের বাড়িতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। বুধবার বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান তিনি।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, লতিফুর রহমানের মরদেহ কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আনা হবে। গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ এশা তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আজ রাতে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

লতিফুর রহমান স্ত্রী, পুত্র, দুই কন্যাসহ আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ব্যবসায়ে নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে তিনি পেয়েছিলেন বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড।

ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ট্রান্সকম বেভারেজ লিমিটেড, বেভারেজ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, ট্রান্সকম ফুডস, ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স ও ওষুধ তৈরির কোম্পানি এসকেএফ। এছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যমের মালিকানাও ট্রান্সকম গ্রুপের। এ গ্রুপের গণমাধ্যমগুলো হলো- দৈনিক প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার ও এবিসি রেডিও।

লতিফুর রহমানের জন্ম ভারতের জলপাইগুড়িতে, ১৯৪৫ সালের ২৮ আগস্ট। তিনি ঢাকায় থাকতেন গেন্ডারিয়ায়। তার পড়াশোনার শুরু সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলে। সেখান থেকে ১৯৫৬ সালে শিলংয়ের সেন্ট এডমন্ডস স্কুলে। তারপর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় ফিরে আসেন লতিফুর রহমান। ঢাকায় এসে ১৯৬৬ সালে ডব্লিউ রহমান জুট মিল ট্রেইনি হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৭২ সালে তিনি সবকিছু নতুন করে শুরু করেছিলেন প্রায় শূন্য হাতে। তার প্রতিষ্ঠিত ট্রান্সকম গ্রুপে বর্তমানে কাজ করছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ।

উল্লেখ্য, চার বছর আগে এই দিনে ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিসান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় মারা যান লতিফুর রহমানের নাতি ফারাজ আইয়াজ হোসেন।