ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধেও মামলা


266 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধেও মামলা
মার্চ ৯, ২০১৭ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
ছয় মুসলিমপ্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফা নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করেছে হাওয়াই অঙ্গরাজ্য।

বিবিসি অনলাইন জানিয়েছে, আদেশটি কার্যকর হওয়ার আগের দিন আগামী ১৫ মার্চ মামলার শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে ফেডারেল আদালত।

বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানায়, প্রথম দফার নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধেও হাওয়াই রাজ্যে মামলা হয়েছিল। তবে আগেই অন্য রাজ্যের আদালতে আদেশটি স্থগিত হয়ে যায়। দ্বিতীয় দফার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সেই মামলাটিই সংশোধন করে দাখিল করেছে হাওয়াই রাজ্য।

প্রথম দফায় ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে দ্বিতীয় দফার আদেশে ইরাককে বাদ দেয়া হয়েছে। বাকি ছয়টি দেশ হলো-ইরান, সিরিয়া, ইয়েমেন, সুদান, লিবিয়া এবং সোমলিয়া। এ ছাড়া নতুন আদেশে শরণার্থীদের ১২০ দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

হাওয়াই রাজ্যের মামলায় বলা হয়েছে, এই নির্বাহী আদেশের ফলে হাওয়াইয়ের মুসলিম জনগোষ্ঠী, পর্যটন আর বিদেশি শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ডগলাস চেন বলেছেন, এই রাজ্যের বিশেষত্ব হলো ইতিহাস ও সাংবিধানিকভাবে এখানে কোন বৈষম্য করা হয় না। এখানকার ২০ শতাংশ বাসিন্দা বিদেশে জন্ম নিয়েছে, এক লাখ প্রবাসী বাস করে এবং অন্তত ২০ শতাংশ বিদেশি কর্মী রয়েছে।

তিনি আরও জানান, হাওয়াইয়ের মানুষ মনে করে, নতুন মানুষদের প্রতি ভীতি প্রদর্শন একটি খারাপ নীতি।

তবে এই মামলার বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন বিচার বিভাগ। তবে ট্রাম্পের প্রশাসনের যুক্তি হচ্ছে, আমেরিকাকে সন্ত্রাসবাদের হাত থেকে নিরাপদ রাখার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

এদিকে, এপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের এমন একটি দলিল তারা দেখেছে যাতে বলা হয়েছে, যাদের বৈধ ভিসা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

অন্যদিকে, মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী জন কেলি জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্বভার নেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী প্রবেশের হার অন্তত ৪০ শতাংশ কমেছে।