ডা. ইকবালের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের জামিন


328 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ডা. ইকবালের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের জামিন
মার্চ ১৬, ২০১৭ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :;
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এইচবিএম ইকবালের স্ত্রী মমতাজ বেগম ও তাদের তিন ছেলেমেয়ে ছয় মাসের জামিন পেয়েছেন।

ডা. ইকবালের তিন সন্তান হলে- প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ ইমরান ইকবাল, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য মঈন ইকবাল ও মেয়ে নওরীন ইকবাল। এইচবিএম ইকবাল বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ চার আসামির দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তাদের জামিন দেন।

আদালতে ইকবালের পরিবারের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান।

আদালতের এই আদেশের ফলে ইকবালের স্ত্রী ও তিন ছেলেমেয়ের কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী।

বুধবার একই বেঞ্চ ডা. ইকবালের কারাবন্দি স্ত্রীসহ তিন সন্তানের তিন বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিলম্বে আপিল করার বিষয়টি মার্জনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৭ মে সাবেক এমপি ইকবাল, তার স্ত্রী ও সন্তানদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় পরের বছর ১১ মার্চ বিশেষ জজ আদালত ইকবালকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা এবং তার স্ত্রী-সন্তানদের তিন বছর করে কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর ইকবালের করা আবেদনে হাইকোর্ট দুর্নীতির ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। পাশাপাশি ওই সাজা কেন বাতিল করা হবে না, জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়।

২০১১ সালের ১৮ জানুয়ারি ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট তাকে এ মামলা থেকে খালাস দেন। কিন্তু ইকবালের স্ত্রী ও সন্তানরা হাইকোর্ট থেকে মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ নিলেও বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেনি। ছয় বছর পর ইকবালের স্ত্রী ও সন্তানরা নতুন করে মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ চাইলে গত ১৮ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সাজা আরও ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে ১৫ নভেম্বর আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক।

২৭ নভেম্বর আপিল বিভাগ তাদের সাজার কার্যকারিতা স্থগিতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এর ফলে ইকবালের স্ত্রী মমতাজ বেগম, দুই ছেলে মঈনুদ্দিন ইকবাল ও ইমরান ইকবাল এবং মেয়ে নওরীন ইকবালকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে বলে ওইদিন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এ আদেশের পর ইকবালের পরিবারের সদস্যরা গত ৮ মার্চ বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন তারা হাইকোর্টে আপিল করেন।