ডুমুরিয়ায় কেওড়াতলা স্লুইস গেটের সামনের পলি অপসরণ কাজ শুরু


370 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ডুমুরিয়ায় কেওড়াতলা স্লুইস গেটের সামনের পলি অপসরণ কাজ শুরু
আগস্ট ২৬, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, ডুমুরিয়া :
ডুমুরিয়ায় পানিবন্দি ২১ গ্রামবাসীর দাবির মুখে  ৯টি বিলের পানি সরবরাহের জন্য শোলগাতিয়া কেওড়াতলা পলি ভরাট শ্লুইস গেটের মুখে জমে থাকা পলি অপসারনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

কয়েক দফায় পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা  প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দ ও কয়েক’শ এলাকাবাসী  সাথে নিয়ে বুধবার সকালে খাল খননের উদ্ধোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর।

সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার রুদাঘরা, রঘুনাথপুর ও ধামালিয়া ইউনিয়নের বিলতাওয়ালিয়া, বিল মধুগ্রাম, বিল বরুনা, কোলবিল সহ ৯টি বিলের পানি সরবরাহ হয় কেওড়াতলা স্লুইস গেট দিয়ে। ইতিপূর্বে হরি নদীটি পলি ভরাটি হওয়ায় পানি নিস্কাশনে গতিবিধি কমে যায়। তার উপর অপরিকল্পিত ভাবে খাস জমি বন্ধবস্ত দেয়ায় যত্র-তত্র খাল ভরাট করে পানির গতি রোধ করা হয়েছে। ফলে স্লুইজ গেটটি ভিতর-বাইরে পলি ভরাটি হয়ে পানি নিস্কাশনের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

গেটটি ভিতরে প্রায় ৭’শ ফুট চর ভরাটি খাল দখলের মধ্যে দিয়ে ১২০ ফুট চওড়া বিশিষ্ট নদীটি মাত্র ৫০ ফুট চওড়ায় অবস্থান করছে। ফলে পানির গতিবিধি কমে নদীটি দিনে দিনে পলি ভরাটি হয়ে নাব্যতা হারিয়ে ফেলছে।

এমতবস্থায় পলি অপসারণ ও খাল খননের মাধ্যমে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না হলে এলাকাটি বিল ডাকাতিয়ার রুপ ধারণ করবে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিয়ে কয়েক দফায় পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে পলি অপসারণ ও খাল খননের সিদ্ধান্ত  গ্রহন করে। তারই জের ধরে বুধবার শত শত স্বেচ্ছাশ্রম সাথে নিয়ে  খাল খননের উদ্ধোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ রফিকুল হাসান, চেয়াম্যান জিএম আমানুল্লাহ, সাবেক চেয়ারম্যান ও আ’লীগ নেতা  মোস্তফা কামাল খোকন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রেজওয়ান মোল্যা, সাবেক চেয়ারম্যান গাজী তৌহিদুর রহমান, মতলেব গোলদার,  বিল কমিটির নেত্রীবৃন্দসহ  সহ শত শত এলাকাবাসী।