ডুমুরিয়া সংবাদ ॥ চুকনগরে মেড ইন “ইউএসএ” নামে একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ৬টি গুলি ও ২টি ম্যাগাজিনসহ ২ব্যবসায়ী গ্রেফতার


347 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ডুমুরিয়া সংবাদ ॥ চুকনগরে মেড ইন “ইউএসএ” নামে একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ৬টি গুলি ও ২টি ম্যাগাজিনসহ ২ব্যবসায়ী গ্রেফতার
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, ডুুমুরিয়া :
চুকনগরে মেড ইন “ইউএসএ” নামে একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র,৬টি গুলি ও ২টি ম্যাগাজিন সহ ২ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়,শনিবার সকাল ১০ টার দিকে মাগুরাঘোনা ক্যাম্পের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই নাহিদ হাসান মৃধা এবং এএসআই সৈয়দ শাহিন ফরহাদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ চুকনগর সাতক্ষীরা মহাসড়কের কাঞ্চনপুর মোবাইল টাওয়ারের সন্নিকটে (খুলনা মেট্রো জ-০৪-০০৩৯ নং) একটি বাসের গতিরোধ করে।

এ সময় পুলিশ সিটে বসা ২যুবককে তল¬াশী করে একজনের কোমরে প্যান্টের ভিতর থেকে মেড ইন “ইউএসএ” নামে একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ৬টি গুলি ও ২টি ম্যাগাজিনসহ ২ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীরা টুঙ্গিপাড়া জেলার গিমাডাঙ্গা উপজেলার হাবিবুর রহমানের পুত্র আলমগীর হোসেন মোড়ল (৩১) এবং একই গ্রামের রকিব উদ্দিন শেখের পুত্র আব্দুল গফুর শেখ (২৮)।

এরা ভারতের বশিরহাট থেকে রাতে সাঁতার দিয়ে নদী পার হয়ে ঢাকায় এই অস্ত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সংবাদ শোনা মাত্রই ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মশিউর রহমান সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান। এ ব্যাপারে ওসি এম মশিউর রহমান বলেন,দীর্ঘদিন চেষ্টার পর অনেক গোপনীয়তা অবলম্বন করে আমরা এই ২ অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
##
চুকনগরে নারকেলের ভিতরে সাজিয়ে ফেন্সিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় ২১ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার

ডুুমুরিয়া প্রতিনিধি :
চুকনগরে অভিনব কায়দায় নারকেলের ভিতরে সাজিয়ে ফেন্সিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় ২১ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকালে চুকনগর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে প্রতিদিনের ন্যায় টহল দেয়ার সময় মাগুরাঘোনা ক্যাম্পের পুলিশ বাসের ভিতর থেকে ফেন্সিডিল সহ তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়,গতকাল বিকালে মাগুরাঘোনা ক্যাম্পের পুলিশ এস আই নাহিদ হাসান মৃধা ও এ এস আই সৈয়দ শাহিন ফরহাদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ প্রতিদিনের ন্যায় চুকনগরÑসাতক্ষীরা মহাসড়কের কাঞ্চনপুর কালভার্ট নামক স্থানে টহর দিচ্ছিলেন। এ সময় সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসের সিটে বসা এক ব্যক্তি পায়ের নিচে নারকেল রাখা ছিল। পুলিশ নারকেল গুলো সন্দেহের বসে চেক করে ৩ টি নারকেলের ভিতরে অভিনব কায়দায় সাজানো প্রতিটি নারকেলে ৭টি করে মোট ২১ ফেন্সিডিলসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাতক্ষীরা জেলার কালীগজ্ঞ উপজেলার মাকার গ্রামের তাছের সরদারের পুত্র হাবিবুর রহমান সরদার (৫৭)। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ডুমুরিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে একটি মামলার প্রস্ততি চলছিল।
##
ডুমুরিয়ায় রফিকুল নিখোজের ৫ মাস
পর আদালতে হত্যা মামলা দায়ের
ডুুমুরিয়া প্রতিনিধি :
ডুমুরিয়ায় রফিকুল ইসলাম (২২) নামের এক যুবক নিখোঁজের ৫ মাস পর অবশেষে হত্যার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় রফিকুলের পিতা ইউনুচ আলী শেখ বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখ পূর্বক আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ওসি কে তদন্ত রির্পোট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। দায়েরকৃত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস-রাজাপুর এলাকার ইউনুচ আলী শেখের পুত্র রফিকুল ইসলাম গত ২ বছর পূর্বে থেকে মোংলাস্থ হোলসিম সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে চাকুরি করে আসছিল। এমতাবস্থায় চলতি বছর ঈদুল ফিতারের ৪/৫ দিন পূর্বে রফিকুল ছুটি নিয়ে বাড়ীতে আসে। ২৫ জুলাই কোম্পানির সিকিউরিটি ম্যানেজার কামরুল সরদার রফিকুলের বাবাকে ফোন দিয়ে ওই দিনে কাজে যোগদান করতে বলে। রফিকুল পর দির ২৬ তারিখ সকালে বাড়ী থেকে রওনা হয়ে কাজে যোগদান করে। কিন্তু যোগদানের সন্ধ্যা থেকে রফিকুলের ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ থাকায় পরদিন সকালে ম্যানেজার কামরুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রাতে চাকুরি ছেড়ে রফিকুল কোথাও চলে গেছে। এরপর রফিকুল কে  চাকুরিতে যোগদানে সহায়তাকারী একই এলাকার নাজমুর শেখ ও মেহেদী শেখের সাথে যোগাযোগ করলে রফিকুলকে পাওয়া যাবে বলে আশ্বাস্ত করে তার পিতাকে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করতে নিষেধ করে। এক পর্যায়ে ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর কোন সন্ধান না পেয়ে ভুক্তভোগী পিতা ৫ সেপ্টেম্বর মোংলা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করে। সেই থেকে অদ্যবধি রফিকুলের কোন সন্ধান না মেলায় হত দরিদ্র পরিবারের চোখের পানি মিলন হয়ে গেছে প্রতিক্ষার প্রহর গুনে। এদিকে অভিযুক্ত ম্যানেজার কামরুল, নাজমুল, মেহেদী ও মইনুরের আচারনে রফিকুল নিখোজ নয়, হত্যা হয়েছে এমনটি ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে প্রতিয়মান হওয়ায় হত্যার অভিযোগে এনে আদালতের দারাস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনা প্রসঙ্গে মোংলা থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, বিজ্ঞ আদালত প্রেরিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ সময়ে তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হবে।