ডুমুরিয়া সংবাদ ॥ “স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার”– মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী


393 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ডুমুরিয়া সংবাদ ॥ “স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার”– মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ডিসেম্বর ২৪, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, ডুমুুরিয়া :
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ৪০ টি কমিউনিটি ক্লিনিকে চেয়ার ও উপজেলার ৩২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ড্রাম সেট বিতরণী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য প্রানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন ‘স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার’। সুস্বাস্থ্য ও সুশিক্ষায় দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার বদ্ধ পরিকর। উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন উপমা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন বাংলাদেশ বর্তমান সরকারে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশ এখন ডিজিটালে রুপান্তরিত হয়েছে।

২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্য মায়ের দেশে পরিণত করতে সকলকে এক যোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি। উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুরের সভাপতিত্বে শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে আয়োজিত বিতরণী সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ সামছু-দ্দৌজা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সিকদার আলী আকবর। বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আঃ খালেক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ অহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক কাজী আবদুল্লাহ সহ প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথি উপজেলা সকল দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন দফতরের বিবিধ সমস্যা ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। মত বিনিময়ের এক পর্যায়ে উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকান্ডে নিয়ে তুমুল ঝড় ওঠে। মন্ত্রী উভয় দফতরের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে উপজেলায় সূর্য্য মুখী চাষে ব্যাপক সফলতায় সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বিনা মুল্যে ৫০ হাজার টাকার সূর্য্যমুখী বীজ বিতরণের ঘোষণা দেন। এ সময় বক্তব্য দেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ, প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা শংকর প্রসাদ মন্ডল, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা সরোজ কুমার মিস্ত্রি, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দিকা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আঃ কাদের, চেয়ারম্যান মোস্তফা সরোয়ার, চেয়ারম্যান মোল্যা কবির হোসেন, চেয়ারম্যান শেখ রবিউল ইসলাম, চেয়ারম্যান সরদার আঃ গনি, শিক্ষক শেখ রবিউল ইসলাম লাবু প্রমুখ।
##
ডুমুুরিয়ায় জেলা ম্যাজিট্রেটের আদেশ ১৪৪ ধারা
অমান্য করে গায়ের জোরে গাছ কাটার অভিযোগ
ডুমুুরিয়া প্রতিনিধি :
ডুমুরিয়া জেলা ম্যাজিট্রেটের আদেশ ১৪৪ ধারা অমান্য করে গায়ের জোরে গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায়,ডুুমুরিয়া উপজেলার মালতিয়া গ্রামের আব্বাস আলী সরদারের পুত্র হারুন সরদার গত ২১ ডিসেম্বর খুলনা ম্যাজিট্রেট আদালতে তার পিতার ক্রয়কৃত জমি থেকে তাদের লাগানো গাছ গুলো কেটে নেয়া হবে।

এ আশংকায় তিনি একই গ্রামের আব্দুল করিম শেখের পুত্র শহিদুল ইসলাম শেখ,শরিফুল ইসলাম শেখ এবং কিনু শেখের পুত্র আব্দুল করিম শেখকে অভিযুক্ত করে খুলনা ম্যাজিট্রেট আদালতে একটি অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত উক্ত জমিটির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেন এবং উক্ত আদেশে বলা হয় ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস সরজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন না দেয়া পর্যন্ত উক্ত জমির উপর ১৪৪ ধারা বলবত থাকবে। কিন্তু শহিদুল ইসলাম শেখ,শরিফুল ইসলাম শেখ ও আব্দুল করিম শেখ সহ কতিপয় ব্যক্তি গায়ের জোরে গত ২২/২৩ ডিসেম্বর দিনে জমিতে লাগানো সমস্ত গাছ গুলো কেটে নিয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,ডুমুরিয়া উপজেলার মালতিয়া গ্রামের আখের আলী বিশ্বাস তার পৈত্রিক সম্পত্তি ৮০ শতক জমি তিনি মারা যাওয়ার আগে তার ২পুত্র আব্দুল কাইয়ুম বিশ্বাসকে ৪০শতক ও তমেজ উদ্দিন বিশ্বাসকে ৪০ শতক জমি সমান করে বাটোয়ারা করে দিয়ে যায়। পরে আব্দুল কাইয়ুম বিশ্বাস তার নামীয় ৪০ শতক জমি অন্যথায় বিক্রয় করে দেয়। কিন্তু তমেজ উদ্দিন বিশ্বাসের নামীয় ৪০ শতক জমি ৬২ রেকর্ডের সময় ভুলক্রমে সবার অগোচরে ২০ শতক করে আবার তমেজ ও কাইয়ুম এর নামে রেকর্ড হয়ে যায়। ফলে পিতার ৮০ শতক জমির মধ্যে ৬০ শতকই কাইয়ুম এর নামে চলে যায়। এ ঘটনা তখন তমেজ বিশ্বাসের ছেলে মেয়েরা না  জানার সত্ত্বে তার মূত্যুর পর তার ২পুত্র মঙ্গল বিশ্বাস ও ছবেদ বিশ্বাস এবং ২কন্যা সামেত্তজান বিবি ও আবেজান বিবি ৪০ শতক জমি আব্বাস উদ্দিন সরদারের কাছে বিক্রয় করে দেয়। আব্বাস উদ্দিন ক্রয়কৃত জমিটি বর্তমানে তার ছেলে মেয়েরা ভোগ দখল করে আসছে এবং সেখানে গাছের চাষ করেছে। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে আব্দুল কাইয়ুম বিশ্বানের ওয়ারেশ গন আব্দুল করিম,তার পুত্র শহিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম তাদের মালিকানা দেখিয়ে গায়ের জোরে জমিতে লাগানো গাছ গুলো কাটার পায়তারা করতে থাকলে নিরুপায় হয়ে আব্বাস উদ্দিনের পুত্র হারুন সরদার গত ২১ ডিসেম্বর খুলনা ম্যাজিট্রেট আদালতে তার পিতার জমি থেকে তাদের লাগানো গাছ গুলো কেটে নেয়া হবে এ আশংকায় তিনি একই গ্রামের আব্দুল করিম শেখের পুত্র শহিদুল ইসলাম শেখ,শরিফুল ইসলাম শেখ এবং কিনু শেখের পুত্র আব্দুল করিম শেখকে অভিযুক্ত করে খুলনা ম্যাজিট্রেট আদালতে একটি অভিযোগ করেন।

এ অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত উক্ত জমিটির উপর ১৪৪ ধারা জারি করেন এবং উক্ত আদেশে বলা হয় ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস সরজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন না দেয়া পর্যন্ত  উপর ১৪৪ ধারা বলবত থাকবে।

কিন্তু শহিদুল ইসলাম শেখ,শরিফুল ইসলাম শেখ ও আব্দুল করিম শেখ সহ কতিপয় ব্যক্তি গায়ের জোরে আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ২২/২৩ ডিসেম্বর গাছ গুলো কেটে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এ ব্যাপারে বাদী হারুন সরদার বলেন,আমার পিতার ক্রয়কৃত জমি থেকে জোর পূর্বক করিম শেখের গংরা গায়ের জোরে গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে শহিদুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।
##
ডুমুরিয়ায় উপজেলা প্রকৃচি সমন্বয় কমিটির মানব বন্ধন
ডুমুুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ প্রকৃচি-বিসিএস-২৬ ক্যাডার, নন-ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস ডুমুরিয়া উপজেলা সমন্বয় কমিটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগে গতকাল সকালে এক মানব বন্ধন পালিত হয়। ৮ম জাতীয় বেতন স্কেলে সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল পূর্ণবহাল ও ক্যাডার ননক্যাডার বৈষম্য নিরাসনসহ ৬ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে উপজেলা চত্তরে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভাপতি প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শংকর প্রসাদ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আঃ খালেক, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা সরোজ কুমার                  মিস্ত্রি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দিকা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ প্রনয় মিশ্র প্রমুখ।