ঢাকায় বসছে সাড়ে ৮ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার


329 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ঢাকায় বসছে সাড়ে ৮ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার
আগস্ট ১৪, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৯ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক ::
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় স্থাপন করা হবে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার। এর মাধ্যমে বিদ্যুতের অপচয় রোধ করার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় জোরদার হবে।

সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পোস্ট পেইড মিটারিং সিস্টেমে প্রচুর কারিগরি ও অকারিগরি সিস্টেম লস হতো এবং বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকতো। প্রি-পেমেন্ট মিটারে সেটি আর থাকবে না। ডিপিডিসির (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) আওতাধীন এলাকায় ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ৬৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৬০৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৫০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা খরচ করা হবে।

নতুন প্রি-পেমেন্ট প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকার রমনা, জিগাতলা, ধানমণ্ডি, আদাবর, পরিবাগ, কাকরাইল, বনশ্রী, মগবাজার, শ্যামলী, কামরাঙ্গীরচর, বাংলাবাজার, নারিন্দা, পোস্তগোলা ও ডেমরা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুলা, শীতলক্ষ্যা ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলায় প্রি-পেমেন্ট মিটার বসানো হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা। চলতি বছরের মাঝামাঝিতেই তা ১৯ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। বছর শেষে ২০ হাজার মেগাওয়াটের উপরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

মন্ত্রী আরো জানান, বিদ্যুতের প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনসহ একনেক বৈঠকে মোট ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২ হাজার ৩৩৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৫০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬৯৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

একনেক বৈঠকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়নে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।