তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা : আমু


540 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা : আমু
মে ১৮, ২০১৫ Uncategorized খুলনা বিভাগ খেলা জাতীয় ফটো গ্যালারি বিনোদন ভিডিও গ্যালারি শিক্ষা স্বাস্থ্য
Print Friendly, PDF & Email

পাবনা: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের  কেন্দ্রিয় নেতা ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা একটি অগণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থা বিশ্বের কোথায়ও নেই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে। বর্তমান সরকারের আমলে যে কয়টি নির্বাচন হয়েছে সবগুলোই অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হয়েছে। কোন প্রকার কারচুপি বা প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। তিনি বলেন, বিএনপি জন বিচ্ছিন্ন হয়ে আন্দোলন থেকে সরে এসে নির্বাচনী রূপরেখা দিতে চাচ্ছে। বুধবার বিকেলে পাবনা টাউন হল মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু এমপি’র সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্থানীয় সরকার ও সমবায়  প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইয়িদ আল মাহমুদ স্বপন,  পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মকবুল হোসেন এমপি, পাবনা জিলা পরিষদের প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, আব্দুল হামিদ মাষ্টার, আবুল কালাম আজাদ, তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, সোহেল হাসান শাহীন, বেলায়েত আলী বিল্লু, আব্দুল আহাদ বাবু, তসলিম হাসান সুমন, শামসুন্নাহার রেখা, নাদিরা ইয়াসমিন জলি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহমেদ শরীফ ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রুমন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন, সাবেক তত্ত্ব¡াবধায়ক সরকারের ফকরুদ্দীন-মঈনুদ্দীনসহ সবাই ছিল বিএনপি ঘরনার লোক। তিনি বলেন, বিএনপি- জামায়াত ধার্মান্ধতার মাধ্যমে দেশকে রক্তাক্ত, জঙ্গিবাদ ও অকার্যকর করতে চায়। সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কোন কিছুই এদেশে হতে দেয়া হবে না। মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করায় মাদরাসার ছাত্ররাও এখন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারছে-এটা শেখ হাসিনার অবদান। শেখ হাসিনার সরকার সাড়ে ২৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেছে। ২৭ কোটি বই বিনামূল্যে জানুয়ারী মাসেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছে।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মোহাম্মদ নাসিম বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, আন্দোলনের ট্রেন চলে গেছে। এখন নির্বাচনের ট্রেন চলছে। আন্দোলন করে কোন লাভ নেই। নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার কখনও হাওয়া ভবন, জঙ্গিবাদ, বাংলাভাই, শায়েখ আব্দুর রহমান তৈরি করে নাই। শেখ হাসিনার আমলে সাড়ে ৫ হাজার নির্বাচন হয়েছে। কোন ভোট কারচুপির অভিযোগ আসেনি। তবে কেন তত্বাবধায়ক সরকার করতে হবে। তিনি আগামী নির্বাচনে সবাইকে ভুল না করে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন,  বর্তমান দেশে জঙ্গিবাদ নেই, দেশে আর বোমা ফোটে না। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ওয়াদা করেছিলেন, চাল ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। সে ওয়াদা পুরণ করেছেন। বিদ্যুৎ গ্যাস পানি, সার সব সমস্যার সমাধান আওয়ামীলীগ সরকারই করেছে। বেগম খালেদা জিয়ার ক্ষমতার প্রয়োজন শুধু দুর্নীতিবাজ সন্তানদের রক্ষা ও নিজামী গোলাম আযমকে মুক্ত করার জন্য।