তদন্ত প্রতিবেদন পেলে শিক্ষক লাঞ্ছনার বিষয়ে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী


355 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তদন্ত প্রতিবেদন পেলে শিক্ষক লাঞ্ছনার বিষয়ে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
মে ১৮, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

নারায়ণগঞ্জে পি আর সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এ ঘটনাক কলঙ্কজনক বলে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার সচিবালয়ে শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যে কোনো ঘটনার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কিছু নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয়। না হয় সে ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা যাবে না। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছি।

নারায়ণগঞ্জের শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষককে মারধরের সময় উপস্থিত ছিলেন, তাকে প্রত্যাহার করা হবে কিনা এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কে কি করেছেন, কার কি দায়িত্ব ছিল না ছিল তদন্তের মধ্য দিয়েই আসবে। যদি মনে করি কোনো কিছু অসম্পন্ন আছে তাও আমরা ধরব। তবে এটা অতি নিন্দনীয়, সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য, সকলের জন্য এটা কলঙ্কজনক ঘটনা। একজন শিক্ষকের প্রতি এমন আচরণ কখনও হতে পারে না।’

গত শুক্রবার ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে’ আঘাত দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমানের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠবস করিয়ে সাজা দেওয়া হয়। এমপির সামনেই এ ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অপরাধ ঘটেনি দাবি করে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেছেন, পুলিশের করার কিছু নেই। অবশ্য মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যারা এ অপরাধে জড়িত, তাদের শাস্তি পেতে হবে।

সারাদেশে যখন এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ চলছে, ঠিক সে সময় মঙ্গলবার বিকেলে সেই শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে এবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শ্যামল কান্তি ভক্ত বন্দর উপজেলার কল্যাণদী এলাকার ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির পাঠানো বরখাস্তের চিঠিটি পেয়েছেন।