তারেকের আত্মসমর্পণ: ১৬ মার্চ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করবেন হাইকোর্ট


289 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তারেকের আত্মসমর্পণ: ১৬ মার্চ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করবেন হাইকোর্ট
মার্চ ৩, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
অর্থপাচার (মানিলন্ডরিং) মামলায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আত্মসমর্পণ করেন কি-না, তা আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করবেন হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে বিচারিক আদালতে তারেক রহমান আত্মসমর্পণ না করলে পরবর্তী আদেশ দেওয়া হবে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ খুরশীদ আলম খান।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানায় পাঠানো আত্মসমর্পণের সমন পৌঁছেছে কি-না, তা বিচারিক আদালতকে (সিএমএম কোর্ট) জানাতে বলা হয়েছিল। ওই আদেশে অনুসারে, সিএমএম কোর্ট বৃহস্পতিবার হাইকোর্টকে জানিয়েছেন- প্রথমে তারা হাইকোর্টের আদেশ বোঝেননি। পরে ২৯ ফেব্রুয়ারি তারেকের নামে আবারও সমন পাঠানো হয়। এ কারণে ন্যায়বিচারের স্বার্থে ১৬ মার্চ পর্যন্ত তারেক রহমান আত্মসমর্পণ করেন কি-না, সেটি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় তারেক রহমান ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের এ মামলাটি করে দুদক।

পরে ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর ওই মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তারেক রহমানকে খালাসের পাশাপাশি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

এ রায়ের বিরুদ্ধে একই বছরের ৫ ডিসেম্বর আপিল করে দুদক। এরপর ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট তারেক রহমানকে ফের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। ওই আদেশ প্রতিপালন না হওয়ায় তারেক রহমানকে আত্মসমর্পণের জন্য চলতি বছরের ২০ ও ২১ জানুয়ারি দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি এখনও আত্মসমর্পণ করেননি।

প্রসঙ্গত, তারেক রহমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালে তিনি উচ্চ আদালতের অনুমতি নিয়ে সেখানে যান। পরে তার জামিন বাতিল করে এই মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন দেওয়া হয়। তিনি না আসায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আইনের দৃষ্টিতে তারেক রহমান বর্তমানে পলাতক।