তালার খলিলনগর চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রণব ঘোষ বাবলু : নির্বাচিত হয়ে খলিলনগরের প্রধান সমস্যা সালতা নদী খননে করবো


957 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালার খলিলনগর চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রণব ঘোষ বাবলু : নির্বাচিত হয়ে খলিলনগরের প্রধান সমস্যা সালতা নদী খননে করবো
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৬ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কামরুজ্জামান মোড়ল ঃ
তালা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত বর্তমান আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রণব ঘোষ বাবলু নির্বাচিত হলে ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা সালতা নদী খনন করাই এবারের নির্বাচনের প্রধান ইশতেহার বলে তিনি একান্ত স্বাক্ষাৎকারে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। ৯০’র গণ অভ্যুত্থানের রাজপথের সফল ছাত্রনেতা, তৎকালীন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি, তালার উজ্জ্বল সাংবাদিকতার প্রতীক, বিশিষ্ট সমাজসেবক, তালার অন্যতম আওয়ামীলীগ নেতা প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু দৃঢ় চিত্তে বলেন, এবারের ইউপি নির্বাচনে নিশ্চিত জয়ী হয়ে নাগরিক সুবিধা সুনিশ্চিত করা সহ খলিলনগর ইউনিয়নবাসীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সালতা নদী খননের বিকল্প নেই। তাই তিনি এবারের নির্বাচনে প্রধান ইশতিহারে সালতা নদী খনন করবই বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সফল ইউনিয়ন হিসেবে বিগত দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন ভূয়সী প্রশংসার অবদান রেখে অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা তথা খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ফিলিফাইন, কেনিয়া, দুবাই, ভারত, শ্রীলঙ্কা সহ প্রায় ৮টি দেশে সরকারি সফরে শিক্ষানীয় বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করে নাগরিক সেবা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছিয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন। এবারের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে না চাইলেও জনগণের একান্ত ভালবাসা আর দাবীর মুখে নির্বাচন করতে বাধ্য হয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে তার প্রার্থীতায় আওয়ামীলীগের কেউই প্রতিদ্বন্দ্বী হয়নি। তিনি বলেন, খলিলনগর ইউনিয়নবাসী ২০০৩ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে ঐ ইউনিয়নের সম্মানিত চেয়ারটিতে বসিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছিল তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করায় ২য় বার তাকে নির্বাচিত করে। এবারের তৃতীয় নির্বাচনে সাধারণ জনগণ, খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষের জন্য যে সেবা পৌছে দিয়েছে তাতে এবারের নির্বাচনেও নিশ্চিত বিজয়ী হবেন বলে তিনি শতভাগ আশাবাদী। তরুণ্যের প্রতীক উদীয়মান এ জনদরদী সমাজসেবক মানুষটি ১৯৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করে তালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষে তালা বি.দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে তালা সরকারি কলেজ থেকে এইচ এস সি পাসের পর খুলনা বিএল কলেজ থেকে ইতিহাসে ¯œাতক ও ¯œাতকোত্তর পাশ করেন। লেখা পড়া শেষে ফিরে এসে তালায় সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেন। এরই ফলশ্রুতিতে ২০০৩ সালে প্রথম বারের মত খলিলনগর ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উদীয়মান সংগ্রামী এ ছাত্রনেতা তৎকালীন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টি তালা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ২০১১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। যোগদানের অল্প দিনের মধ্যেই তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে স্বল্প ভোটে পরাজিত হলেও আগামীতে তিনি তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের কান্ডারী হিসেবে দায়িত্ব পাবেন বলে জানান। জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত সমাজের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের সেবা করে যেতে চান। এছাড়া তিনি একটি শিশুও যেন প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে না পড়ে সেজন্য জনগণের পক্ষ থেকে ইউনিয়নের প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিউনিটি শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। যে কারণে সেখানকার শিক্ষাব্যবস্থা অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেক এগিয়ে। দীর্ঘ ১২ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে ১০০% স্যানিটেশন ও শতভাগ জন্ম নিবন্ধন উল্লেখযোগ্য। এবারও নির্বাচিত হয়ে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের রোলমডেল খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ত্বরান্বিত করবেন। খলিলনগরবাসীর অন্যতম সমস্যা সালতা নদ খনন করে দীর্ঘদিনের সমস্যা, পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, দারিদ্রতা দূরীকরণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা সহ হতদরিদ্র মহিলা এবং বেকার যুবকদের নানামুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাবলম্বী করে ক্ষুধা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার শ্লোগানকে বাস্তবায়নে খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।