তালার ধানদিয়া ইউনিয়নে চলছে চেয়ারম্যান প্রার্থী সন্তোষ বিশ্বাসের তান্ডন !


294 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালার ধানদিয়া ইউনিয়নে চলছে চেয়ারম্যান প্রার্থী সন্তোষ বিশ্বাসের তান্ডন !
মার্চ ১১, ২০১৬ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি :
তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া ইউনিয়নে চলছে সরকার দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও তার সমর্থকদের নারকীয় তান্ডব। ভোট ছিনিয়ে নিতে সেখানে গঠন করা হয়েছে বিশেষ বাহিনী। বিদ্রোহী ও বিরোধী দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদেরকে ঘরের বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের পোষ্টার, লিফলেট, ব্যানার প্রকাশ্যে ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। বাঁধা দিলেই তাকে দেওয়া হচ্ছে জীবর্নাশের হুমকী। এমনকি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে বার বার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না প্রার্থীরা। এসব অভিযোগ ধানদিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হামেজদ্দিনের।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো লিখিত অভিযোগে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হামেজদ্দিন জানান, তার কর্মীদেরকে মাঠে নামতে দিচ্ছে না অধ্যাপক সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও তার সমর্থকরা। একের পর এক দেওয়া হচ্ছে হুমকী। তিনি জানান, ভোটের দিন ভোট লুট করতে সন্তোষ কুমার বিশ্বাস গঠন করেছেন এলাকায় এলাকায় বিশেষ বাহিনী। তিনি তার বেহাল অবস্থা বুঝতে পেরে জোর করে ভোট লুটের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী হামেজদ্দিন শুক্রবার বিকেলে ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি ফুলবাড়ি বাজারে একটি নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেছেন। শুক্রবার সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও তার লোকজন অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। তার পোষ্টার গুলো ছিড়ে পুকুরে ফেলে দিচ্ছে। সন্তোষ কুমার বিশ্বাস পর পর ২ বার চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এবারও তিনি সব চেয়ে কম ভোট পাবেন।

হামেজদ্দিন জানান, হুমকী-ধামকীর বিষয়টি তিনি পাটকেলঘাটা থানার ওসি কে বলেছেন। ওসি সাহেব বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাটকেলঘাটা থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী অফিস বন্ধ করার বিষয়টি চেয়ারম্যান প্রার্থী হামেজদ্দিন আমাকে বলেছেন। আমি তাকে অফিস খোলার জন্য বলেছি। এরপরও যদি কেউ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকমকে জানান, হামেজদ্দিন দলের সিদ্ধান্ত না মেনে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি যেসব অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়। ফুলবাড়ি বাজারে হামেজদ্দিনের অফিস ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু পরে খুলে দেওয়া হয়েছে।