তালার রাজাপুর ইউবিআর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ


881 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালার রাজাপুর ইউবিআর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ
জুলাই ২৯, ২০২১ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বি. এম. জুলফিকার রায়হান ::

তালার রাজাপুর ইউবিআর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য তালিকা প্রনয়নে প্রতারনা ও কারচুপি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিমাই কৃষ্ণ মন্ডল তাঁর পছন্দের ব্যক্তিকে অভিভাবক সদস্য বানানোর জন্য প্রতারনার আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট রাজাপুর ইউবি আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইন্দ্রজিৎ বৈরাগী জানান, বিদ্যালয়ের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ আগামী মাসের ৪ তারিখে শেষ হবে। একারনে বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য এডহক কমিটি গঠন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এডহক কমিটিতে একজন অভিভাবক সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিদ্যালয়ের প্রতি শ্রেণি থেকে ২জন করে অভিভাবকের নাম তালিকাভুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরন করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নিমাই কৃষ্ণ মন্ডল এলাকার একটি দূর্নীতিবাজ চক্রের সহযোগীতা করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে ৩জন অভিভাবকের নাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে জমাদেন। যেখানে ৬ষ্ঠ শ্রেনি পাশ অভিভাবককে এইচএসসি এবং মাস্টার্স পাশ অভিভাবককে এসএসসি পাশ দেখানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হবার পর ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করে। ফলে ঘটনার প্রতিকার পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির দ্রুত সভা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে- ইন্দ্রজিৎ বৈরাগী জানান।
এবিষয়ে অভিভাবক বরুন কুমান সানা জানান, বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অভিভাবক সদস্য পদে তিনি তাঁর অনার্স ও মাস্টার্স পাশের সনদপত্র সংযুক্ত করে আবেদনপত্র জমা দেন। এরপরও প্রধান শিক্ষক নিমাই কৃষ্ণ মন্ডল তাকে এসএসসি পাশ, ৬ষ্ঠ শ্রেণি পাশ শ্যমল কুমার মন্ডলকে এইচএসসি ও ৭ম শ্রেণি পাশ তারাপদ মন্ডলকে এসএসসি পাশ দেখিয়ে ইউএনও অফিসে অভিভাবকের নামের তালিকা প্রেরন করেছেন। এঘটনায় বরুন সানা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এব্যপারে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক নিমাই কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, নামের তালিকা কম্পিউটারে প্রিন্টিং মিসটেক হয়েছে। তবে, ৩জনেরই মিসটেক কিভাবে হলো- জানতে চাইলে তিনি উত্তর এড়িয়ে যেয়ে বলেন, তালিকা আবার ঠিক করে পাঠাবো।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের একজন বিদ্যুৎসাহী সদস্য নিজের নাম প্রকাশ না করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতির বহু অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ ধাঁমাচাপা দেবার জন্য তিনি তার অনুগত লোকদের ম্যানেজিং কমিটিতে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

#