তালায় বালিয়া-ভাঙ্গনকূল প্রকল্পের ত্রিপক্ষীয় বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষর


450 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালায় বালিয়া-ভাঙ্গনকূল প্রকল্পের ত্রিপক্ষীয় বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষর
অক্টোবর ১৩, ২০১৫ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বি.এম. জুলফিকার রায়হান, তালা :
এলজিইডি’র আওতাধীন অংশগ্রহনমূলক ক্ষুদ্রকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের আওতায়, সাতক্ষীরাার তালা উপজেলার বালিয়া-ভাঙ্গনকূল উপ-প্রকল্পের ত্রিপক্ষীয় বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার ১০ নং খেশরা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিক ভাবে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বালিয়া ভাঙ্গনকূল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি. এর সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা পরিষদর চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান, সাতক্ষীরা নির্বাহী প্রকেশৈলী এস.এম. শাজেদুর রহিম, খেশরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এস.এম. লিয়াকত হোসেন ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা মাসুদা পারভীন। ভাঙ্গনকূল সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক শেখ আবুল কালাম আজাদ এর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে তালা উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী আবু সাইদ মো. জসিম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাদিউজ্জামান, উপজেলা সমবায় অফিসার শেখ মোসাদ্দেক হোসেন, আ’লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এম. ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুর রশিদ, খেশরা ইউনিয়ন আ.লীগ নেতা রাজিব হোসেন রাজু, জালালপুর ইউনিয়ন আ.লীগ নেতা রবিউল ইসলাম মুক্তি, রামপ্রসাদ দাস, মুর্শিদা পারভীন পাপড়ী, এলজিইডি-সাতক্ষীরা’র সোসিও ইকোনোমিষ্ট মো. হাছিবুজ্জামান, ইউপি সদস্য সুনীল কুমার দাস, শামসুল হক, নিমাই সানা, রাশেদ সানা, সিদ্দিকুর রহমান, মো. ওবায়েদুর রহমান মিঠু, রমিছা বেগম, শেখ আব্দুল মহিত, সচিব এস.এম. রুবায়েত হোসেন, সমবায়য় অফিসের কর্মকর্তা করিমুল হক, সমিতির কোষাধ্যক্ষ মো. রুস্তম জোয়াদ্দার, ও তফেজ উদ্দীন মোড়ল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশ অধিদপ্তর (এলজিইডি) সাতক্ষীরা, বালিয়া ভাঙ্গনকূল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লি. ও ১০ নং খেশরা ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়। স্থানীয় কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাংলাদেশের জাতীয় আয়’এ অবদান রাখা এবং সমিতির মাধ্যমে এলাকার মানুষের দারিদ্র বিমোচন করার লক্ষে এই চুক্তি করা হয়। চুক্তি মোতাবেক তিনটি পক্ষ যৌথভাবে এলাকার বন্যা ব্যবস্থাপনার আওতায় ১১ কিলোমিটার বাঁধ পুন:র্নিমান, ১০ কিলোামিটার খাল পুন:খনন, ৭টি পাইপ সুইস, ৩টি রেগুলেটর, ১টি ডব্লিউএমসি সমিতির অফিস করা হবে।