তালায় ব্লাস্ট নামক ছত্রাকের আক্রমনে মাঠের পর মাঠ ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে


1960 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালায় ব্লাস্ট নামক ছত্রাকের আক্রমনে মাঠের পর মাঠ ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে
এপ্রিল ২, ২০১৭ কৃষি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

মোঃ মুজিবুর রহমান ::

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় এবছর লক্ষ্যমাত্রার চাইতে বেশী পরিমান জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হলেও, শেষ মুহর্তে ব্লাস্ট নামক ছত্রাকের আক্রমনে উপজেলার মাঠের পর মাঠ ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে । উপজেলার পাটকেলঘাটা জুজখোলা গ্রামের আব্দুল হামিদ মোড়ল জানান আমার দক্ষিন বিলের ৩বিঘা জমির ধানের অধিকাংশ শীষ শুকিয়ে গেছে।

লালচন্দ্রপুর গ্রামের শওকাত হোসেন জানান ২বিঘা জমির অর্ধেক ধান শুকিয়ে গেছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার খেশরা, মাগুরা,জালালপুর,ইসলামকাটি ,খলিষখালী ইউনিয়নের অধিকাংশ বিলে ধানের ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমনে ধানের বের হওয়া শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে ।

কৃষি অফিসার সামছুল আলম জানান গত কয়েকদিন আগে বৈরী আবহাওয়ার কারনে ব্লাস্ট নামক এক ধরনের ভাইরাস উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। যে কারনে ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে।

আমরা উপজেলার সকল কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের কৃষকদের পরামর্শ প্রদানে জরুরী বার্তা পাঠিয়েছি। কৃষকদের জমিতে টাটাভো, নাটিভো, স্টেনজা, এমিস্টারটপ ও ফিলিয়া সহ নানা ধরনের ঔষধ স্প্রেকরার পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তাছাড়া জমিতে পানি রাখলে কিছুটা উপকারে আসবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ১৬হাজার ৪০০হেক্টর জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বছর উপজেলায় জলাবদ্ধতা না থাকায় উপজেলার ধানদিয়া, নগরঘাটা, সরুলিয়া, কুমিরা, খলিষখালী, তেঁতুলিয়া তালা সহ উপজেলায় সর্বত্রই লক্ষ্য মাত্রার চাইতে বেশী জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হয়েছে।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামছুল আলম জানান এবছর আবহাওয়া ভাল থাকার কারনে অনেক এলাকায় চাষাবাদ হয়েছে। আমন চাষ কিছুটা কম হলেও ইরিবোরো চাষাবাদে পুষিয়ে নিতে অনেক আগেভাগে কৃষক চাষাবাদ শুরু করে। অনেক নিচু এলাকায় পানি সেচের মাধ্যমে কৃষক চাষাবাদ করেছে।

এবছর উপজেলায় ব্রি-ধান ২৮ বেশী পরিমান জমিতে চাষাবাদ হয়েছে তাছাড়া বিনা-৮, বিনা-১০ ও কিছু এলাকায় লবণ সহিষœু ধান চাষাবাদ হয়েছে। মাইওয়ান প্লাজার ম্যানেজার হাসানুর রহমান, মাষ্টার আমিনুজ্জামান, হাসান, আরেফিন, তুহিন ইসলাম প্রমুখ।
##