তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগীতা


430 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগীতা
মার্চ ২৯, ২০১৬ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বি. এম. জুলফিকার রায়হান , তালা (সাতক্ষীরা)
তালার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে “মর্যাদায় গড়ি সমতা” শীর্ষক স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছার চাঁদখালী বহুমূখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষে বিতর্ক প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। দাতা সংস্থা ডিএফআইডি এর অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’র সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগীতায় চাঁদখালী বহুমূখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কপোতাক্ষী মাধ্যমিক বিদ্যালয়-দেবদুয়ার এর শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে। নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, মুক্তি ফাউন্ডেশনের পারফেক্ট প্রকল্প’র আওতায় অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগীতায় দু’টি স্কুলের ১২জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। মর্ডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন, চাঁদখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র মন্ডল। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক মনোরঞ্জন মন্ডল, তপন সরকার, হিরন্ময় মন্ডল ও অলোক কুমার সরকার। বিতর্ক প্রতিযোগীতা উপলক্ষ্যে সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন মুক্তি ফাউন্ডেশন’র পারফেক্ট প্রকল্পের সমন্বয়কারী প্রসাদ সরকার। প্রকল্প পরিচিতি ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুক্তি ফাউন্ডেশনের পারফেক্ট প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষক কনোক চন্দ্র সরকার, দীলরুবা সুলতানা ও তপন কুমার সরকার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।  বিতর্ক প্রতিযোগীতায় ফাতিমা-তুজ-জোহরা প্রথম, তানিয়া সুলতানা দ্বিতীয় এবং আশিকুর রহমান তৃতীয় স্থান অধিকার করে। প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

###
তালার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতির বিবৃতি
বি. এম. জুলফিকার রায়হান তালা (সাতক্ষীরা)
গত ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিত ভাবে ইউনিয়ন আ.লীগ এবং আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.এম. আবুল কালাম এর ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি এম.এম. আবুল কালাম এক বিবৃতির মাধ্যমে এই অভিযোগ করেন।
আবুল কালাম জানান, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম সরদার নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে তিনি রফিকুল ইসলামের প্রস্তাবক হিসেবে নৌকা প্রতিককে বিজয়ী করার জন্য ইউনিয়নের ১০টি পথসভায় অংশগ্রহন করেন। এছাড়া তালা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে সহ ইউনিয়নের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে ভোট চেয়েছেন। যেকারনে আ.লীগ প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন। আবুল কালাম অভিযোগ করে জানান, ইউনিয়নের ৫নং (শিরাশুনী) ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিয়ার রহমান ইউপি সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করে পরাজিত হন। কিন্তু ইউপি সদস্য পদে দলীয় ভাবে নির্বাচন না হওয়ায় তিনি মতিয়ার রহমানের জন্য ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে খুব বেশী সময় দিতে পারেননি। তাছাড়া, স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে নিয়ে নির্বাচন করা এবং নিজের ব্যক্তিগত গ্রহনযোগ্যতা ফুটিয়ে তুলতে ব্যার্থ হওয়ায় মতিয়ার রহমান নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু, তার এই পরাজয়কে কেন্দ্র করে মতিয়ার রহমান “মাছ না পেয়ে ছিপে কামড়” অবস্থার ন্যায় সকল দায়ভার আমার (আবুল কালাম) উপর চাঁপিয়ে দেবার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি একটি মহলের প্ররোচনায় মতিয়ার রহমান পরিকল্পিত ভাবে তাঁর ব্যক্তিগত (আবুল কালাম) ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় মত্ত রয়েছে। এজন্য মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সম্বলিত নানাবিধ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এম.এম. আবুল কালাম বলেন, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ সকল ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। কিন্তু তারপরও একটি মহল পরিকল্পিত ভাবে অপপ্রচার চালানোয় তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, যদি কেহ প্রমান করতে পারে যে, তিনি (আবুল কালাম) দলীয় প্রার্থীর বাইরে অন্য দলের প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়েছেন, তবে দল যে শাস্তি দেবে তা তিনি মাথা পেতে মেনে নেবেন। কিন্তু যদি তা’ প্রমান না হয় তবে- যে সকল দলীয় নেতা-কর্মীরা এমন অপপ্রচারের সাথে লিপ্ত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এম.এম. আবুল কালাম উপজেলা ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদকের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন।