তালা সংবাদ ॥ অপদ্রব্য পুশ করায় চিংড়ি ব্যবসায়ীর সাজা


402 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তালা সংবাদ ॥  অপদ্রব্য পুশ করায় চিংড়ি ব্যবসায়ীর সাজা
সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৫ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বি, এম, জুলফিকর রায়হান, তালা প্রতিনিধি :
অপদ্রব্য পুশ করে মাছের ওজন বৃদ্ধির অপরাধে তালায় এক বাগদা চিংড়ি মাছ ব্যবসায়ীকে সাজা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান উপজেলার রায়পুর গ্রামের সুদীপ মন্ডলকে এই সাজা প্রদান করেন।

জানাগেছে, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত রায়পুর গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে মৃত. অজিত মন্ডলের পুত্র সুদীপ মন্ডলকে বাগদা চিংড়ি মাছে অপদ্রব্য (ভাতের মাড়) পুশ করার সময় হাতে নাতে আটক করে। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানকালে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. হাদিউজ্জামান, সহকারী মৎস্য অফিসার মো. শহিদুল্লাাহ, ভ্রাম্যমান আদালতের পেশকার মো. মনিরুজ্জামান ও মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মো. রফিজ উদ্দীন সরদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. হাদিউজ্জামান জানান, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আটক সুদীপ কুমারের কাছ থেকে ৫ কেজি অপদ্রব্য পুশকরা বাগদা চিংড়ি উদ্ধার করা হয়। চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অপরাধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান সুদীপকে ১ মাসের কারাদন্ড অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সাথে উদ্ধার হওয়া বাগদা চিংড়ি মাছ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন। আটক সুদীপ জরিমানার টাকা প্রদান করে কারাদন্ড থেকে অব্যহতি গ্রহন করেন। এদিন বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর উদ্ধার হওয়া বাগদা চিংড়ি মাছ মাটিতে পুতে ও আগুন জ্বালিয়ে নষ্ট করে দেন।

###
তালার খেশরায় এলজিএসপি প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
তালা প্রতিনিধি :
উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে সরকারের এলজিএসপি প্রকল্পের অর্থ দিয়ে ইটের রাস্তা নির্মানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্যা (সংরক্ষিত) আয়েশা আক্তার সরকারি নিয়ম তয়াক্কা না করে দূনর্রীতির মাধ্যমে রাস্তা নির্মান করছে। এঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় আ.লীগ নেতা আবুল কাশেম মোড়ল জানান, খেশরা ইউনিয়নের ৬নং বালিয়া ওয়ার্ডের বালিয়া গ্রামের রহমত মোড়ল এর বাড়ি হইতে হাবিবুর গাজীর বাড়ি পর্যন্ত বিগত অর্থ বছরে এলজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী এলজিএসপি প্রকল্পের সকল কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাজ না দিয়ে ঠিকাদারদের নাম ব্যবহার করে কৌশলে নিজেরাই (ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য) সকল কাজ বাস্তবায়ন করে। বালিয়ার উক্ত কাজ ইউনিয়ন পরিষদের সাথে যোগসাজসে সংরক্ষিত ইউপি সদস্যা আয়েশা আক্তার বাস্তবায়ন করছে। এলাকার নূর আলী,  আকরাম হাজরা, রুহুল আমীন গাজীসহ ২২জন ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ইউপি সদস্যা আয়েশা আক্তার জনগুরুত্বপূর্ন রাস্তাটি ইটের সলিং দ্বারা উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি শুরু করে। তিনি, প্রকল্পের নিয়ম না মেনে নিজ বাড়িতে তৈরি নিম্ন মানের ইট দিয়ে রাস্তাটি নির্মান কাজ শুরু করে। তাছাড়া রাস্তাার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ছিল কম। এনিয়ে এলাকার লোকজন বাঁধা প্রদান করলে, ইউপি সদস্যা আয়েশা আক্তার উল্টো এলাকার লোকজনকে হুমকি প্রদান করে। এমনকি এই রাস্তা নির্মান না করে সকল টাকা উঠিয়ে নিবেÑ বলে আস্ফালন শুরু করে। এক পর্যায়ে এলাকার লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করলে ইউপি সদস্যা আয়েশা আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তা থেকে সকল ইট উঠিয়ে নিয়ে গেছে।