তুর্কি মাছ-ধরা নৌকায় রুশ যুদ্ধজাহাজের গুলি


301 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তুর্কি মাছ-ধরা নৌকায় রুশ যুদ্ধজাহাজের গুলি
ডিসেম্বর ১৪, ২০১৫ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
এজিয়ান সাগরে তুরস্কের একটি তুর্কি মাছ-ধরা নৌকা লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গুলি চালিয়েছে একটি রুশ যুদ্ধজাহাজ। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার এক বিবৃতিতে একথা জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, তুর্কি নৌকাটি রুশ যুদ্ধজাহাজের ৬০০ মিটারের মধ্যে চলে আসার পর সংঘর্ষ এড়াতে হালকা অস্ত্র দিয়ে এর প্রতি গুলি চালানো হয়। এ অবস্থায় মাছ-ধরা নৌকাটি গতিপথ পরিবর্তন করে ফিরে যায়।  এ ঘটনার জের ধরে মস্কোয় নিযুক্ত তুর্কি সামরিক অ্যাটাশেকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। খবর বিবিসির

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানা, গতকাল সকালে গ্রিসের লেমন্স দ্বীপের কাছে নোঙ্গর করা দেশটির যুদ্ধজাহাজ ‘স্মিতলিভি’ তুর্কি মাছ-ধরা নৌকাটিকে শনাক্ত করে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়,  নৌকাটি স্মিতলিভির ১,০০০ মিটারের মধ্যে চলে আসার পর এটির ক্রুদের সঙ্গে রেডিও যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তুর্কি নৌকাটি থেকে এ ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় সংঘর্ষ এড়াতে তুর্কি নৌকাটি লক্ষ্য করে হাল্কা অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়। তবে সতর্কতামূলক এ গুলি প্রাণঘাতি ছিল না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গুলিবর্ষণের পরপরই তুর্কি নৌকাটি দ্রুত তার গতিপথ পরিবর্তন করে। তবে ততক্ষণে নৌকাটি রুশ যুদ্ধজাহাজের ৬০০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল। ফিরে যাওয়ার সময়ও রুশ যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে কোনো যোগাযোগের চেষ্টা করেনি তুর্কি মাছ-ধরা নৌকাটি।

এ ঘটনার পর রাশিয়ার উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মস্কোয় নিযুক্ত তুর্কি সামরিক অ্যাটাশেকে তলব করেন। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত তুরস্কের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সিরিয়ায় তৎপর জিহাদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অাইএস’র অবস্থানে হামলা চালানোর কাজে এজিয়ান সাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে।

গত মাসের ২৪ তারিখে সিরিয়ার আকাশসীমায় তুরস্ক একটি রুশ জঙ্গিবিমান গুলি করে ভূপাতিত করার পর থেকে দু’দেশের সম্পর্কে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২৪ নভেম্বর রাশিয়ার এসইউ-২৪ বোমারু বিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করে দু’টি তুর্কি এফ-১৬ জঙ্গিবিমান। রুশ বোমারু বিমানটি ১৭ সেকেন্ডের জন্য তুরস্কের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছিল আঙ্কারা দাবি করলেও মস্কো তা অস্বীকার করেছে।