তুয়ারডাংগা এইচ.এফ মাধ্য: বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ


384 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
তুয়ারডাংগা এইচ.এফ মাধ্য: বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ
ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরার আশাশুনির উপজেলার তুয়ারডাংগা এইচ.এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার নাম নিয়ে ষড়যন্ত্র ও শিক্ষক নিয়োগে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপু্ের সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা তুয়ারডাংগা গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমান গাজীর ছেলে আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ গাজী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিদ্যালয়টি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। কিন্তু ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর তৎকালিন সভাপতি এ.কে এম সামছুল হুদা এবং বদ্যুৎসাহী সদস্য নাসির উদ্দিনের যোগসাজসে প্রধান শিক্ষক পদে সুব্রত কুমার মন্ডল নিয়োগ পেলে জনৈক অভিভাবক আশাশুনি সহকারী জজ আদালতে ১২৫/৯ নং মামলা দায়ের করেন।

প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর সুব্রত কুমার মন্ডল নানা অনিয়ম ও দুর্ণীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৯ সালে সিনিয়র বিজ্ঞান শিক্ষক সত্যরঞ্জন রায়ের অবসরের পর প্রধান শিক্ষক ওই শূন্যপদে নিজের মেয়ে প্রভাতী মন্ডলকে (প্রভা) পরিকল্পিত ভাবে নিয়োগের লক্ষ্যে জনৈক উৎপলা মন্ডলকে ভূয়া নিয়োগ দিয়ে তার নামে সরকারি অনুদান তুলে আত্মসাত করেন।

উৎপলা মন্ডলকে ২০১১ সালের ১ নভেম্বর গণিত শিক্ষক পদে যোগদান এবং ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ দেখিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে কোন নোটিশ না দিয়ে প্রভা মন্ডলকে বিদ্যালয়ে যোগদান করানো হয়। এঘটনায় প্রভা রানীকে ১ নং বিবাদী করে জনৈক সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ২০ জানুয়ারী ৭৪/১৫নং দেওয়ানী মামলা রুজু করেন।

এদিকে ২০১২ সালের ১৩ অক্টোবর পরিচালনা পরিষদের কমিটি গঠনের সময় উক্ত নাসির উদ্দিন প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় ভোট কারচুপির মাধ্যমে ইমদাদুলকে জয়লাভ করায়। যার বিরুদ্ধে ১৬ অক্টোবর আশাশুনি সহকারী জজ আদালতে ১০০/১২ নং দেং মামলা রুজু করা হয়।

আদালতের নির্দেশ ও সকল নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক আর্থিক সুবিধা নিয়ে দাতা, প্রতিষ্ঠাতাসহ কয়েকজন অভিভাবক সদস্যকে বাদ দিয়ে রাজাকার নাসিরের প্ররোচনায় ইমদাদুলকে সভাপতি নির্বাচন করে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক সুব্রত মন্ডল মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে তার এক ভাই পঞ্জা মন্ডলকে সমাজ বিজ্ঞান শিক্ষক ও একজন নৈশ প্রহরী নিয়োগের পায়তারা চালাচ্ছেন।

প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তিনি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে অন্য একজনের নাম দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের নাম ফলকে প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে আমার নাম বাদ দিয়ে অন্য নাম লিপিবদ্ধ করেছে।

তিনি প্রধান শিক্ষকের অশুভশক্তির হাত থেকে তুয়ার ডাঙ্গা এইচ এফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে মুক্ত রাখাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
##