থাকছে ৭৪ প্রতীক, দাঁড়িপাল্লা বাদ


322 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
থাকছে ৭৪ প্রতীক, দাঁড়িপাল্লা বাদ
নভেম্বর ৯, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

 

 

 

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :

দলীয়ভাবে প্রথমবারের মতো পৌরসভা নির্বাচনের আয়োজন করছে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনের দলীয় প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৪০ দলের প্রতীক দলীয় প্রার্থীদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ৩৪টি প্রতীক সংরক্ষিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তবে নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় কমিশন জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাখছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে সরকারের আনা অধ্যাদেশের ওপর নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা প্রস্তুত করছে কমিশন। এতে ৪০টি দলের জন্য ৪০টি প্রতীক মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা আইন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের পরই চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন। প্রস্তাবিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, মেয়র কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর এই তিন পদের জন্য ৪০ দলের ৪০টি প্রতীক সংক্ষরণ করা হবে। এগুলো হলো ছাতা, বাইসাইকেল, চাকা, গামছা, কাস্তে, নৌকা, ধানের শীষ, কবুতর, কুঁড়ে ঘর, হাতুড়ি, কুলা, লাঙ্গল, মশাল, তারা, গোলাপ ফুল, মই, গরুর গাড়ি, ফুলের মালা, বটগাছ, হারিকেন, আম, খেজুর গাছ, উদীয়মান সূর্য, মাছ, বাঘ, গাভি, কাঁঠাল, চাবি, চেয়ার, হাত ঘড়ি, মিনার, রিকশা, হাত পাখা, মোমবাতি, হুক্কা, কোদাল, দেওয়াল ঘড়ি, হাত (পাঞ্জা), ছড়ি ও টেলিভিশন। স্বতন্ত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র পদে ১২টি, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের জন্য ১০টি এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদের জন্য ১২টি প্রতীক সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মেয়র পদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীকগুলো হলো ইস্ত্রি, কম্পিউটার, ক্যারামবোর্ড, চামচ, জগ, টাই, নারিকেল গাছ, বড়শি, মোবাইল ফোন, রেল ইঞ্জিন, হ্যাঙ্গার ও হেলমেট। সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীকগুলো হলো আঙ্গুর, কাঁচি, গ্যাসের চুলা, চকলেট, চুড়ি, পুতুল, ফ্রগ, ভ্যানেটি ব্যাগ, মৌমাছি ও হারমোনিয়াম। সাধারণ কাউন্সিলর পদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীকগুলো হলো উটপাখি, গাজর, টিউবলাইট, টেবিল ল্যাম্প, ডালিম, ঢেঁড়স, পাঞ্জাবি, পানির বোতল, ফাইল কেবিনেট, ব্রিজ, ব্ল্যাকবোর্ড ও স্ক্রু ডাইভার। জামায়াতের প্রতীকের বিষয়ে ইসি সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, জামায়াতের নিবন্ধনকে হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছেন। তাই নিবন্ধন বাতিল হয়েছে মর্মে কোনো চিঠি দলটিকে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে দলটিকে আমরা কোনো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখছি না। তিনি বলেন, পৌরসভা নির্বাচন আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশে রাজনৈতিক দল বলতে ইসি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেই বোঝানো হয়েছে। তাই আদালতের নির্দেশ ও আইন মেনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক দাঁড়িপাল্লা বাদ দেওয়া হচ্ছে। ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা জানিয়েছে, বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৪০টি। ২০১৩ সাল থেকে জামায়াতকে অনিবন্ধিত হিসেবে গণ্য করছে কমিশন।