দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শীত না এলেও শীতের সবজি বাজারে


330 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে  শীত না এলেও শীতের সবজি বাজারে
অক্টোবর ১৯, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির,   দক্ষিণাঞ্চল থেকে ফিরে :
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের  বাগেরহাট স হ ১০ জেলার   শীত না এলেও শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে  বাজার গুলোতে। তবে দাম তুলনামূলক বেশি। বাজারভেদে দামেরও হেরফের রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, সবজিগুলো বাজারে নতুন ওঠানোর সময় দাম বেশিই রাখা হয়। কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে। তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজির সরবরাহ বেড়ে গেলে দামও কমে আসবে।
আমাদের   বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবিরের পাঠানো তথ্যর ভিতিতে জানা যায় সরেজমিনে নড়াইল বাজার, ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের শীতের সবজি নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। সবজির মধ্যে শিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়, ফুলকপি প্রতিটি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা ও বেগুন প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

এ ছাড়া প্রতি কেজি ধনেপাতা ৩০০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, করলা ও চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীতের সবজির মধ্যে টমেটো থাকলেও এখন সারা বছরই টমেটো পাওয়া যায়। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। শীতের সবজির সঙ্গে বিক্রি হচ্ছে জলপাইও। অনেকে ডাল বা টকের তরকারি হিসেবে জলপাই ব্যবহার করেন। অনেকে জলপাইয়ের আচার বানান। জলপাই বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। তবে শীতের নতুন আলু বাজারে আসেনি এখনো।

বিক্রেতারা জানালেন, আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যেই নতুন আলুও বাজারে পাওয়া যাবে।এদিকে দামের ক্ষেত্রে বেশ ভিন্নতাও পাওয়া গেছে। পাশাপাশি দোকানের সবজির দামে হেরফের দেখা গেছে। বাজারভেদেও রয়েছে দামের ভিন্নতা। হাতিরপুলে এক দোকানে শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। আবার পাশের দোকানেই বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। বেশি দামে বিক্রি করা বিক্রেতা মো. আমান দাবি করেছেন, তাঁর শিমের মান ভালো। এ কারণে দাম বেশি। বাজারের সবজি বিক্রেতা বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরেই শীতের নানা ধরনের সবজি বিক্রি শুরু হয়েছে। দিন দিন সরবরাহ বাড়ছে। তবে নতুন বলে দাম কিছুটা বেশি। আরেক বিক্রেতা জানালেন, বিক্রেতাদের বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। এ কারণে তাঁরা ক্রেতাদের কাছে দাম বেশি রাখছেন। কয়েকজন সবজি বিক্রেতা জানালেন, শিম, ধুন্দুল, ফুলকপি, বাঁধাকপি এসব বেশি আসছে খুলনা, কুষ্টিয়া ও যশোর এলাকা থেকে। সেসব এলাকায় তুলনামূলক উঁচু জায়গায় এসব সবজির চাষ হয়।

এ ছাড়া যেসব এলাকায় বন্যার পানি সরে যেতে শুরু করেছে, সেখানেও সবজির চাষ শুরু হয়েছে। সেগুলো একযোগে আসা শুরু হলে দাম অনেক কমে আসবে। বাজারে ধনেপাতা, মুলা ও ফুলকপি কিনছিলেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের বাসিন্দা সাথী  ইসলাম তিনি জানালেন, বাজারেও সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সেসব সবজির দাম বাজার থেকে প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি। তাই তিনি বাজারে সবজি কিনতে এসেছেন। দুটি ফুলকপি তিনি ৫০ টাকায় কিনেছেন। অথচ এর দাম ৮০ টাকা বলে জানালেন।একই ভাবে ধনেপাতা ও মুলার দামও খুলনা  বাজারে কম বলে জানালেন তিনি। ধনেপাতা বিক্রেতা  আব্দুল জলিল জানান , কয়েক দিন আগেও ধনেপাতার কেজি ৫০০ টাকা ছিল। এখন ৩০০ টাকা। দাম আরও কমে আসবে।