দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ক্ষমতার বাইরে


469 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে  সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ক্ষমতার বাইরে
অক্টোবর ২৩, ২০১৬ ইতিহাস ঐতিহ্য ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির :
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের  বাগেরহাট স হ ১০ জেলার   কাঁচাবাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে শাক-সবজিসহ দাম বেড়েছে বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।
এর মধ্যে সবজির দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ৪০ টাকা। আর এ দাম বাড়ার কারণে মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এভাবে আর কতদিন। প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে। একবার দাম বাড়লে কমার কোনো লক্ষণ দেখা যায় না।
আমাদের   বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবিরের পাঠানো তথ্যর ভিতিতে জানা যায় সরেজমিনে  রবিবার বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা করে।
এ ছাড়া করলা ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকা, গাজর ১০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা, কচুরলতি ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা কাঁকরোল ১০ টাকা বেড়ে ৭০, পেঁপে ২ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, পটল ১০ টাকা বেড়ে মানভেদে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অপরিবর্তিত রয়েছে কাঁচামরিচ, মূলা, ফুলকপি, বেগুন, লাউ, কুমড়া, শসা ও টমেটোর দাম। বাজারে  কাঁচামরিচ,   ধনেপাতা, মুলা ও ফুলকপি খাসির মাংস  কিনছিলেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের বাসিন্দা সাথী  ইসলাম তিনি জানালেন, বাজারেও সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সেসব সবজির দাম বাজার থেকে প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি।
মোরেলগঞ্জ   বাজারের সবজি বিক্রেতা  আব্দুল জলিল জানান ,    বলেন, সবজির দাম তো প্রতি সপ্তাহেই বাড়ে-কমে। এখন যেসব সবজির মৌসুম শেষের দিকে রয়েছে, সেগুলোর দাম কিছুটা বেড়েছে। এ ছাড়া বাজারে শীতের সবজিও আসতে শুরু করেছে। তাই এগুলোর দামটা একটু বাড়তি।
তবে আগামী দুই তিন সপ্তাহ পরে শীতকালীন সবজি পুরোপুরি বাজারে এসে পড়লে দাম কমে যাবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেলে প্রতি লিটারে বেড়েছে ৬ টাকা। ফলে ৯৮ টাকার এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন ১০৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার কারণে বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। এ কারণেই দেশি বাজারে দাম বেড়েছে।

তবে গত সপ্তাহের তুলনার কেজিতে ৩ টাকা কমে আলু বিক্রি হচ্ছে ২২
টাকায়। এদিকে আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা, দেশি রসুন ১৫০
টাকা এবং আদা ৮০ টাকা কেজি দরে।পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহে বেড়ে যা
হয়েছিল বর্তমানে সে দামেই বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে,
রুই কেজিপ্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, শিং ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পাঙ্গাস
১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং কৈ  ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে ইলিশের দেখা মেলেনি।এ ছাড়া গরুর
মাংস ৪৫০ থেকে ৪৬০ টাকা, খাসির মাংশ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।