দরগাহপুরে মৎস্য ঘেরে লুটপাট ও ভাংচুর :আহত-৪


382 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দরগাহপুরে মৎস্য ঘেরে লুটপাট ও ভাংচুর :আহত-৪
মে ১৭, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,কে হাসান:
আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি গ্রামে মৎস্য ঘেরে অনধিকার প্রবেশ করে ভাংচুর, লুটপাট এবং ঘের মালিকদের পিটমোড়া দিয়ে বেঁধে মারপিট করার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত দুজনকে হাতপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
থানায় লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, খরিয়াটি গ্রামের শাহাজাহান গোলদারের পুত্র ফারুক হোসেন দিং দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবৎ খরিয়াটি মৌজায় ১০৩৮ নং দাগসহ অন্যদাগের ৬৯ শতক জমি ভোগদখল করে আসছেন। জমিতে তারা বোর করে স্যালো মেশিনের সাহায্যে পানি তুলে মৎস্য চাষ করে থাকেন। একই গ্রামের ফজলু গাজীর পুত্র মিজানুর রহমান, তার পিতা, মৃতঃ জহর আলী মোলঙ্গীর পুত্র মজিদ মলঙ্গী তাদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবী এবং চাঁদা না দিলে জমি জবরদখল করে নেওয়ার হুমকী দিয়ে আসছিল। তারা দুর্দান্ত লাঠিয়াল, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মামলার আসামী। চাঁদা না পেয়ে তারা গত ১৪ মে অজ্ঞাতনামা কয়েক সন্ত্রাসীদের নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মৎস্য ঘেরে অনাধিকার প্রবেশ করে ফারুকের ভাই ইমরান ও মঞ্জুরকে বেঁধে দা দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের চিৎকারে পিতা শাহজাহান ও ভাই ফারুক এগিয়ে গেলে তাদেরকে লাঠিপেটা করে পকেটে থাকা ভাটা শ্রমিকদের মজুরীর টাকা ৪৭ হাজার ৪ শ’ টাকাসহ আরও ৫,২০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং শাহজাহানকে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়।

 

এছাড়া ঘেরের বাসা ও বোরিং ভাংচুর করে অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে। এসময় অপরপক্ষের আয়ুব আলীও আহত হয়। স্বানীয় ইউপি সদস্য আঃ মাজেদসহ এলাকার লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করেন। আহত ইমরান ও মঞ্জুরকে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে প্রতিপ্রতিপক্ষ এঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের জন্য তাদের ঘেরে লুটপাটের অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা দায়েরের উদ্যোগ নিয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলি জানান, শাহাজাহান গোলদাররা অত্যন্ত গরীব মানুষ। তারা দীর্ঘকাল যাবৎ ঘেরটিতে মাছ চাষ করে আসছেন। তারা ইটের ভাটায় কাজে গেলে কিছুদিন পূর্বে প্রতিপক্ষরা বোরিং ভেঙ্গে ঘের দখলের চেষ্টা করেছিল। শাহজাহানের ছেলেরা ফিরে এসে ঘেরে দখল নিলে তাদেরকে নির্মমভাবে মারপিট করা হয়েছে।