দাপটের দিনে শেষবেলায় সৌম্যকে হারানোর ‘আক্ষেপ’


337 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দাপটের দিনে শেষবেলায় সৌম্যকে হারানোর ‘আক্ষেপ’
আগস্ট ২৮, ২০১৭ খেলা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণই খেলছিলেন সৌম্য সরকার। তবে হঠাৎ যেন ধৈর্য্যচুতি ঘটে এই বাংলাদেশি ওপেনারের। দ্বিতীয় দিনের শেষবেলায় উইকেট বিলিয়ে সাজঘরে ফিরলেন সৌম্য। তার বিদায়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আধিপত্যের দিনে কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শেষে ৯ উইকেট হাতে রেখে টাইগারদের লিড এখন ৮৮ রানের।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৬০ রানের জবাবে সোমবার ৩ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ধুঁকতে থাকা অজিরা নবম উইকেটে অ্যাগার ও কামিন্সের দৃঢ়তায় গুটিয়ে যাওয়ার আগে ২১৭ রান সংগ্রহ করে।

টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটাই অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ম সংগ্রহ। এর আগে ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে ২৬৯ রানে অলআউট হয় অজিরা।

৪৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে দিন শেষে ১ উইকেটে ৪৫ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ৩০ ও নাইটওয়াচম্যান তাইজুল ইসলাম ০ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন। সৌম্য আউট হয়েছেন ১৫ রান করে।

প্রথম ইনিংসে ৮ রান করে আউট হয়েছিলেন সৌম্য। দ্বিতীয় ইনিংসে তামিমকে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ খেলছিলেন তিনি। অ্যাস্টন অ্যাগারের করা ২১তম ওভারে মাথায় ‘ভূত’ চেপে বসে সৌম্যর। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে লন অনের ওপর দিয়ে বল সীমানা ছাড়া করতে গিয়ে ক্যাচ আউটের শিকার হন তিনি। তিনবারের চেষ্টায় সৌম্যর ক্যাচ লুফে নেন উসমান খাজা। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন তাইজুল।

এর আগে সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে পড়ে সোমবার চা বিরতির পর ২১৭ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। অ্যাস্টন অ্যাগার-কামিন্সের আগে বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে যা একটু লড়েছেন ম্যাট রেনশ ও পিটার হ্যান্ডসকম্ব।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে রেনশ ৪৫ এবং হ্যান্ডসকম্ব করেন ৩৩ রান। গ্লেন কামিন্স ২৫ এবং ম্যাক্সওয়েল আউট হন ২৩ রান করে। ডেভিড ওয়ার্নার (৮) এবং উসমান খাজার (১) পর ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথও (৮)। ওয়েড ফিরেছেন ৫ রান করে। অ্যাগার ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন।

বাংলাদেশের হয়ে পাঁচটি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ নেন তিনটি উইকেট। তাইজুল ইসলাম নেন একটি উইকেট।

এর আগে বাংলাদেশের ২৬০ রানের মাঝারি মানের সংগ্রহের কৃতিত্ব সাকিব ও তামিম ইকবালের। ১০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর চতুর্থ উইকেটে এই দুজন ১৫৫ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন। আর তাতে করে লড়াই করার পুঁজি পায় টাইগাররা।

বাংলাদেশের হয়ে ৫০তম টেস্ট খেলতে নামা সাকিব ৮৪ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস উপহার দেন। সমান ৫০তম টেস্ট খেলতে নামা তামিম করেন ৭১ রান। নাসির ২৩ এবং মুশফিক ও মিরাজ সমান ১৮ রানের ইনিংস খেলেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন। এছাড়া অ্যাস্টন অ্যাগার দুটি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল নেন একটি উইকেট।