দীপনের ঘাড় ও মাথায় তিনটি আঘাত ছিল : চিকিৎসক


341 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দীপনের ঘাড় ও মাথায় তিনটি আঘাত ছিল : চিকিৎসক
নভেম্বর ১, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডেস্ক :
দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারি ফয়সল আরেফিন দীপনের শরীরে তিনটি আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন।

শনিবার রাজধানীর শাহবাগে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

দীপনের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে রোববার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কাজী মো. আবু শামা জানান, নিহতের ঘাড় ও মাথায় তিনটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর আঘাতটি ছিল ঘাড়ে। ওই আঘাতটির দৈর্ঘ্য সাড়ে ১১ ইঞ্চি ও গভীরতা প্রায় চার ইঞ্চি। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে, তাকে মেঝের সঙ্গে চেপে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়।

গত ফেব্রুয়ারিতে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়ের বইয়ের প্রকাশক ছিলেন দীপন। শনিবার বিকেলে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় নিজের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে দীপনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যার পর কার্যালয়টি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে চলে যায়।

এর আগে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর লালমাটিয়ায় অভিজিতের বইয়ের আরেক প্রকাশক শুদ্ধস্বরের কর্ণধার আহমেদুর রশীদ টুটুলসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। এক্ষেত্রেও দুর্বৃত্তরা তাদের কার্যালয়ের ভেতরে তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়।

এদিকে দীপনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলে নেওয়া হয়েছিল। তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক হওয়ায় পরিবার নিয়ে তিনি সেখানেই থাকতেন।

সেখান থেকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।