ঘরে আগুন দেওয়া মামলায় সাক্ষী হওয়ায় হয়রানির অভিযোগ


479 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ঘরে আগুন দেওয়া মামলায় সাক্ষী হওয়ায় হয়রানির অভিযোগ
জুন ২৩, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
শ্যামনগরের দুরমুজখালি গ্রামের সুধাংশু মন্ডলকে তার পৈত্রিক ভিটা থেকে উৎখাত করতে চেয়েছিলেন পাইকামারি গ্রামের মুজিবর রহমান। এ ব্যাপারে থানায় একটি জিডি করা হয়। পরে তা একটি মামলায় পরিনত হয়। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুজিবর রহমানের ছেলে মামুন মোড়ল হাসান আলি, রফিকুল গাজি, হলো গাজি, ইউসুফ আলি সুজনসহ অনেককে সাথে  নিয়ে সুধাংশুর বাড়িতে আগুন দেয় ও তার স্ত্রী ঝরনা রানীকে মারধর করে।

শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্যে এ কথা বলেন সুধাংশু মন্ডল। এ সময় তার সাথে ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গফফার গাজি।

সুধাংশু বলেন গত ২ মে মামুন মোড়ল তার লোকজন নিয়ে যখন তার বাড়িতে আগুন দেয় তখন গফফারসহ অনেকেই তা নিভানোর চেষ্টা করেন। এ ব্যাপারে মামুনের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা হয়। এই মামলায় সাক্ষী হন গফফার গাজিসহ কয়েকজন।

তারা যাতে এ মামলায় সাক্ষী না দেন এবং মামলা তুলে নেন সেজন্য মামুন ও তার লোকজন চাপ দিতে থাকে। শুধু তাই নয় ৭ বিঘা ৫ কাঠা জমি কিনে মামুনরা ১৫ বিঘা জমি দখল করতে চায়।

এসব কারণে মামুনের  মা তার মেয়েদের সাথে এনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সুধাংশু ও গফফারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ঘর জ্বালানোর অপরাধ ঢাকা দিতে মামুন তার বোনদের পাঠিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সুধাংশু মন্ডল তার বক্তব্যে আরও বলেন যে গফফারের বিরুদ্ধে  ১০০ টি মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার যে অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে আনা হয়েছে তা সত্য নয়। এমনকি তিনি ২০ টি কেসের আসামি বলে যে প্রচার দেওয়া হয়েছে তাও সত্য নয়।

প্রকৃতপক্ষে ঘরে আগুন দেওয়ার মামলায় সাক্ষী হওয়ায় গফফারের বিরুদ্ধে মামুনরা সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করেছে। সুধাংশু মন্ডল এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।
##