দেবহাটার কেবিএ কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের মানববন্ধন


292 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটার কেবিএ কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের মানববন্ধন
মে ২১, ২০১৯ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা ::

দেবহাটার সখিপুর সরকারী কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী ও ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে সদ্য সরকারী হওয়া কেবিএ কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ। কেবিএ সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার সরকারি খান বাহাদুর আহছানউল্লা কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে কলেজ চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে গত ২০ তারিখ সোমবার ফয়জুল্লাহ ১৫ হাজার টাকার দাবী জানালে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাতে অপারগতা প্রকাশ করলে ফয়জুল্লাহ অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে দাড়িয়ে অশোভন আচরণ ও গালিগালাজ করতে থাকে, এমনকি অধ্যক্ষ সহ ২ শিক্ষককে মারপিটের হুমকি দিতে থাকে। শিক্ষকদের প্রতি অশোভন আচরন, ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা করায় বর্তমান কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটির গঠনের জন্য মানবন্ধনে অনুরোধ জানানো হয়।

মানববন্ধনে এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, শিক্ষক গোলাম জাকারিয়া, পবিত্র মোহন দাশ, মোল্লা সাব্বীর হোসেন, কামিদুল ইসলাম, শংকর কুমার দাশ, আজহারুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, শেখ মিজানুর রহমান, শহীদুল ইসলাম, মইনুদ্দিন খান, ফেরদৌসী পপী, শেখ হাবিবুল্লাহ, আছফারজ্জামান, এ,এস,এম মিজানুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, আকবর আলী, মোশারফ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান সহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীরা।

এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সুমন বলেন, গত ২০ মে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ ভর্তি ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য বাড়তি টাকা নিচ্ছিলো। কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়জুল্লাহ ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে বাড়তি টাকা নেয়ার কারন জিজ্ঞাসা করলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে এধরনের মানববন্ধন করেছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সোহাগ বলেছেন, সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডে যদি কেউ জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফয়জুল্লাহ এ বিষয়ে জাানয়েছেন, ২০ তারিখে আইসিটির প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় সরকার নির্দেশনার বাইরে অতিরিক্ত ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে নেয়া হচ্ছিলো।

শিক্ষার্থীরা তাকে বিষয়টি জানালে তিনি এ বিষয়ে জানতে গেলে শিক্ষকরা তাকে কোন সঠিক উত্তর না দিয়ে খারাপ আচরন করেন। এমনকি কলেজ অধ্যক্ষকে বিষয়টি জানাতে গেলে তাকে অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে একপ্রকার বের করে দেয়া হয়।

#