দেবহাটার ভাতশালায় ভাঙ্গন কবলিত ঝুকিপূর্ন ভেড়িবাধ পরিদর্শন


196 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটার ভাতশালায় ভাঙ্গন কবলিত ঝুকিপূর্ন ভেড়িবাধ পরিদর্শন
জুন ৪, ২০২০ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা ::

দেবহাটা উপজেলার ভাতশালা এলাকায় প্রবল ঘূর্নিঝড় আম্ফানে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নদী ইছামতি নদীর ভাঙ্গন কবলিত ঝুকিপূর্ন ভেড়িবাধ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা আঃলীগের সভাপতি সাবেক সাংসদ মুনসুর আহম্মেদ এবং দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি। ঘূর্নিঝড় আম্ফানে এ ভেড়ীবাধটি ভেঙ্গে গিয়ে ঐ এলাকাটি প্লাবিত হয়। এই ভাঙ্গনের কারনে বাধটি ঝুকিপূর্ন হয়ে যাওয়ায় ঐ এলাকার মানুষেরা একটি অজানা আশঙ্খার মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন। তারা ছেলে মেয়ে, গবাদী পশুসহ জিনিষপত্র নিয়ে বিপদে রয়েছেন। এই ভাঙ্গনে পাশর্^বর্তী আরো কয়েকটি গ্রামের মানুষ গবাদি পশু, ঘের ও ফসলফলাদী নিয়ে বিপদের ঝুঁকিতে রয়েছেন। সহায় সম্পদ রক্ষার জন্য তাদের খাওয়া ঘুম প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কিন্তু প্রায় ২ সপ্তাহ পার হতে চললেও পাউবো বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ বাধ মেরামতে কোন পদক্ষেপ এখনো গ্রহন না করায় ভাতশালাসহ ঐ গ্রামগুলির মানুষ হতাশ। যার কারনে বৃহষ্পতিবার দুপুর সাড়ে সাড়ে ১২ টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা আঃলীগের সভাপতি সাবেক সাংসদ মুনসুর আহম্মেদ এবং দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ¦ আব্দুল গনি ভাতশালার ভাঙ্গন কবলিত ভেড়ীবাধটি পরিদর্শন করেন। এসময় তাদের সাথে জেলা পরিষদ সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ¦ আল ফেরদাউস আলফা, দেবহাটা ইউপি চেয়াম্যান আবু বকর গাজী, দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, উপজেলা আঃলীগের নেতা শরীফ বিশ^াস, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল, ইউপি সদস্য কামরুল ইসলামসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ঝড়ের রাতে ঐ এলাকার সাধারন মানুষ নিজেদের শ্রমে ভাঙ্গন কবলিত স্থানটি কোনরকমে মেরামত করলেও তাদের মধ্যে এক অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। বড় ধরনের জোয়ার সৃষ্টি হলে ঐ বাধটি ভেঙ্গে পুনরায় প্লাবিত হতে পারে কয়েকটি গ্রাম। স্থানীয়রা জানান, আগামী ৩/৪ দিন পরে বড় ধরনের গোন উঠবে, আর সেসময় হয়তো তারা প্লাবিত হতে পারেন। তাই এক অজানা আশঙ্খায় তারা দিনযাপন করছেন। এসময় এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে জেলা আঃলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান অতি দ্রুত বাধ মেরামতে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান। আপাতত ২/১ দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ দিয়ে বাধ প্রটেকশন দেয়া হবে বলে তারা আশ^স্থ করেন। তবে বর্তমান নদীতে জোয়ারে পানি বেশি হওয়ায় অধিকাংশ বেড়িবাধ নাজুক হয়ে দাড়িয়েছে। তাই অবিলম্বে সংস্কার করার জন্য দাবী জানানো হয়েছে।

#