দেবহাটার সুবর্ণাবাদ হাইস্কুলে ল্যাব অপারেটর নিয়োগে ১০ লক্ষ টাকার বানিজ্যের অভিযোগ


304 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটার সুবর্ণাবাদ হাইস্কুলে ল্যাব অপারেটর নিয়োগে ১০ লক্ষ টাকার বানিজ্যের অভিযোগ
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা ::

দেবহাটার সুবর্ণাবাদ সেন্ট্রাল হাইস্কুলে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিয়োগে ১০ লক্ষ টাকার বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। সূত্র মতে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ সেন্ট্রাল হাইস্কুলে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যোগ্য প্রার্থীকে না নিয়ে অবৈধ সুবিধার মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগের পায়তারা করছে স্কুল কমিটি। যার কারনে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করা অপর প্রার্থী প্লাবন সরকার গত বুধবার জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশনা দিলেও উক্ত আদেশ হাতে পাওয়ার পরেও অনৈতিকভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আয়োজন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দেবহাটা উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের বিমল কৃষ্ণ সরকারের ছেলে প্লাবন সরকার কর্তৃক লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, বিগত ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর উক্ত স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। তৎকালিন সময়ে উক্ত নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠলে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করা হয়। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন। এরপর দ্বিতীয় দফায় আবারো নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আগামী মার্চ মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ রয়েছে। ফলে তড়িঘড়ি করে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মৃণাল হালদার ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এএফএম আব্দুল্যাহ যৌথভাবে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আর এই অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহযোগীতা করছেন সুবর্নাবাদ সেন্ট্রাল হাইস্কুলের অপর শিক্ষক সঞ্জয় কুমার। জেলা প্রশাসকের নিকট দেয়া অভিযোগের কপি পাওয়ার পরও নিয়োগ সম্পন্ন করার আয়োজন করছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে দেবহাটা উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তাতে সঠিকভাবে ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নে কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় এমপি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদ্বয় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দানের কথা বলেছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে তাকে (জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা) কোন কিছুই অবহিত করেননি বা নিয়োগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেননা বলে জানান।