দেবহাটায় ঈদ উপলক্ষে পারুলিয়ায় গরুরহাট জমজমাট


311 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটায় ঈদ উপলক্ষে পারুলিয়ায় গরুরহাট জমজমাট
আগস্ট ১৯, ২০১৮ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা ॥
দেবহাটা উপজেলা সহ আশেপাশের এলাকার একমাত্র পারুলিয়ার গরুরহাট ছিল রবিবার। সাপ্তাহিক এই হাটে আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে শেষ হাটটটি জমে উঠেছিল জমজমাট। রবিবার সকাল থেকে ক্রেতা বিক্রেতাদের পাশাপাশি দর্শানার্থীদের পদচারনায় ছিল মুখরিত। অন্যদিকে গরুরহাটের সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্বরত পুলিম বাহিনী সহ প্রশাসনের তদারকি ছিল দেখার মতো। সকাল থেকেই দেবহাটা পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। দুপুর ১২ টার দিকে দেবহাটা থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সরেজমিনে গরুরহাটের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখেন। এসময় দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) উজ্জ্বল কুমার মৈত্র, সেকেন্ড অফিসার এসআই ইয়ামিন আলী, এসআই উজ্জø কুমার দত্ত উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, পারুলিয়া গরুরহাটটি মূলত গরুরহাট নাম হলেও হাট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকে এখানে বিভিন্ন পশুপাখি, দা বটি থেকে শুরু করে সকল প্রকারের জিনিষপত্র বিক্রয় করা হয়। এমনকি এখানে জাল পর্যন্ত বিক্রয় করা হয়। রবিবার গরুরহাটে দেখা গেছে, দেবহাটা উপজেলার সহ আশেপাশের অনেক এলাকার ক্রেতারা এখানে এসেছেন কোরবানীর গরু ক্রয় করতে। আবার অন্যদিকে বিভিন্ন এলাকার বিক্রেতারাও গরু ছাগল নিয়ে এসেছেন বিক্রয় করতে। তবে এখানে সবচেয়ে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল গত বছরের তুলনায় এবার খাজনা অনেক কম। আর এজন্য এখানে ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশী। তাছাড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাল থাকায় এখানে কেউ কোন চাদাবাজি বা অন্য কোন প্রকারের ঝামেলা। তাই সবদিক মিলয়ে অন্যান্য বারের তুলনায় এখানে লোকসমাগত বেশী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ সার্বিক পরিস্থিতি দেখে ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুন্দর রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। হাটে কোন ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর কোন সুযোগ নেই। ওসি জানান, এখানে আগত সকল ক্রেতা বিক্রেতারা সার্বিক পরিস্থিতি দেখে খুশী। হাটে গরু বিক্রয় করতে আসা সাতক্ষীরার জিরোনডাঙ্গা এলাকার রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি তার গরু ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রয় করেছেন। এছাতা দেবহাটার কোড়া গ্রামের আকবর আলী জানান, তিনি ১ লক্ষ ৭ হাজার টাকায় তার গরুটি বিক্রয় করেছেন। এবছর ভারতীয় গরু না আসায় দেশী গরুর চাহিদার পাশাপাশি দামও একটু বেশী বলে বিক্রেতারা জানান। তবে কোরবানীর উদ্দ্যেশ্যে কিনতে আসা ক্রেতারা দাশ বেশী হওয়ায় একটু অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, কোরবানী হলো সক্ষমতার মধ্যে করা। কিন্তু দাম একটু বেশী হওয়ায় অনেকে উচ্চ দাম দিয়ে গরু কিনতে পারছেননা। তবে সার্বিক দিক থেকে এবছর হাটের পরিস্থিতি ভাল বলে ক্রেতা বিক্রেতারা জানিয়েছেন।