দেবহাটায় ছেলে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার প্রতিকার চেয়ে মায়ের সংবাদ সম্মেলন


140 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটায় ছেলে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার প্রতিকার চেয়ে মায়ের সংবাদ সম্মেলন
জানুয়ারি ১৮, ২০২০ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা ::

দেবহাটায় এক যুবককে অপহরণ করে হত্যার চেষ্টা এবং প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অসহায় মা। শনিবার দেবহাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে হাদিপুর গ্রামের সাহাজদ্দীন সরদারের কন্যা সুফিয়া খাতুন লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার একমাত্র পুত্র হারুন মোড়ল ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকরী করে। সেই সুবাদে দেবহাটা উপজেলার রামনাথপুর গ্রামের ফয়জুল ইসলামের পুত্র হারুন অর রশীদের সাথে তার পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তার পুত্রের কাছ থেকে হারুন জমি ক্রয় করার জন্য প্রথমে দেড় লক্ষ টাকা ও পরে মোটর সাইকেল ক্রয় করতে ২০ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা ধার নেয়। এক পর্যায়ে হারুন অর রশীদ আমার পুত্রকে তার পরিবারের লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। সেই সুবাদে তার কন্যা স্বামী পরিত্যাক্তা ও এক সন্তানের জননী ফতেমার সাথে আমার পুত্রের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাছাড়া তার পুত্রের সাথে হারুনের আর্থিক লেনদেনও চলতে থাকে। কিছুদিন থেকে হারুন তার ছেলের পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করতে থাকে। এক পর্যায়ে সে উক্ত টাকা না দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করে গত ১৭ জানুয়ারী ২০২০ শুক্রবার হারুনের মেয়ে ফতেমা তার ছেলেকে ফোন করে দেখা করতে বলে। তার ছেলে ঢাকায় কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য বাসের টিকিট কাটতে নলতা চৌমহনীতে পৌছালে হারুন অর রশীদ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মাইক্রোবাস যোগে উক্ত স্থানে এসে তার ছেলেকে মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাকে অপহরন করে মাইক্রোবাসে নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ঢেপুখালি সাইক্লোন সেল্টারে নিয়ে যায়। সেখানে কন্যার পিতা হারুন অর রশীদ, মেয়ের ছোট চাচা আল মামুন, হারুন অর রশীদের বন্ধু জগন্নাথপুর গ্রামের কালু সরদারের পুত্র সফি ও কন্যার পিতার অন্য এক সহযোগী পারভেজ সহ অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠি সোটা, লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। এসময় তার অবস্থা খারাপ দেখে এবং স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হলে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে তার ছেলেকে পুলিশে সোর্পদ করে। পুলিশ তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সখিপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সখিপুর হাসপাতাল থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তারা আমার ছেলেকে হত্যা চেষ্ঠায় ব্যর্থ হয়ে স্বামী পরিত্যাক্তা ও এক সন্তানের জননী ফতেমাকে দিয়ে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ এনে পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে দেবহাটা থানায় আমার ছেলের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। উক্ত মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই এবং প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা সুফিয়া খাতুন পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

#