দেবহাটায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে কাটা হচ্ছে সরকারি গাছ


354 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে কাটা হচ্ছে সরকারি গাছ
মার্চ ৩০, ২০১৬ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা :
আবারো জেলা পরিষদ প্রশাসকের নাম গাছ কর্তন করে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেল দেবহাটা ডাকবাংলো চৌকিদার জাফর আলীর বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগে জেলা পরিষদ প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে দেবহাটা-সখিপুর রোডের রাস্তার পাশের গাছ কেটে বিক্রি করার সময় স্থানীয়রা জানতে পেরে স্থানীয় প্রশাসন সহ সাংবাদিকদের অবগত করলে সখিপুর ও ধোপাডাঙ্গার স’মিলে সরেজমিনে যেয়ে গাছের ছবি সহ সংবাদ প্রকাশ পেলে গাছ কাটা বন্ধ হয়। আবারো ঐ চৌকিদার একই ধরনের কান্ড ঘটিয়ে ভাতশালা এলাকায় রাস্তার পাশের রোড শিশু, সৃষ্টি সহ নানা প্রজাতির গাছ জেলা পরিষদ প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে গাছ কাটতে থাকে। মঙ্গলবার গাছ কাটার সময় স্থানীয়রা জানতে পেরে গাছ কাটায় বাধা দেয়। উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান কান্ত জানান, চৌকিদার জাফর বেশ কিছুদিন ধরে তার ঘের সহ আশেপাশের অনেক গাছ কাটতে থাকে। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম সে হয়তো বন বিভাগের লোক। কিন্তু একাধারে গাছ কাটতে থাকলে বিষয়টি আমাদের সন্দেহ হয়। মঙ্গলবার সকালে জাফর লোকজন নিয়ে আবারো গাছ কাটতে আসলে তিনি, ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল সহ লোকজন বাধা দেয়। তখন জাফর ডাকবাংলোর চৌকিদার পরিচয় দিয়ে গাছ কাটার অনুমোদন আছে এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহম্দে জানেন বলে জানান। কান্ত জানান, তখনই তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যান সহ জেলা পরিষদ প্রশাসককে বিষয়টি জানালে প্রশাসক গাছ কাটার বিষয়ে তার জানা নেই বলে জানান। সেসময় ২৭ পিচ গাছের পিচ জব্দ করে আটক রাখা হয়। পরে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাছগুলো ডাকবাংলোর মধ্যে রাখার নির্দেশ দিলে গাছগুলো নিয়ে আসা হয়। একজন চৌকিদারের এধরনের অনৈতিক কাজে জেলা পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হলেও সে কি করে ধরা ছোয়ার বাইরে থাকছে এ প্রশ্ন সাধারন মানুষের? জানা গেছে, জাফর এর আগে কলারোয়া উপজেলার ডাকবাংলোর চৌকিদার থাকাকালে মেয়েলি ঘটনায় তাকে বদলী করে দেবহাটায় নিয়ে আসা হয়। গাছ কাটার বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন জানান, গাছ কাটার বিষয়ে অভিযোগ পেয়ে তিনি ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন। তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ ব্যপারে জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহমেদের সাথে যোগাযোগ রে তাকে পাওয়া যায়নি।