দেবহাটায় প্রতিবন্ধিদের গরু-ছাগল দেওয়ার নামে প্রতারনা : ভূয়া এনজিও কর্মী আটক


686 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটায় প্রতিবন্ধিদের গরু-ছাগল দেওয়ার  নামে প্রতারনা : ভূয়া এনজিও কর্মী আটক
মে ৩০, ২০১৬ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রতিবন্ধী পূর্ণবাসন সমাজ কল্যান ফাউন্ডেশনের নামে প্রতিবন্ধীদের গরু ছাগল দেওয়ার নাম করে চাঁদাবাজি কালে দেবহাটায় হাদিপুরে মিতা নামের এক ভুয়া এনজিও কর্মীকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা ।পরে ওই রতারককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা যায় সোমবার সকাল ১০ টায় হাদিপুর জগনাথপুর গ্রামে এনজিওর নামে দীর্ঘ দিন যাবত গ্রামের সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে প্রতিবন্ধী পরিবারদের গরু ছাগল দেওয়ার নাম করে একটি চক্র অসহায় মানুষের কাছ থেকে ৮শ থেকে ২ হাজার টাকা করে নিয়ে আসচ্ছিল। বিষয়টি  জানতে পেরে হাদিপুর জগনাথপুর ইসলামীয়া মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক ইয়াসমিন আক্তার ঘটণা স্থলে যেয়ে প্রতারক মিতাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে। পরে তাকে দেবহাটা সমাজ সেবা অফিসে নিয়ে যায় সেখানে আটক মিতা জানায় আমি এবং সাতক্ষীরা মান্নান প্রতীবন্ধী পূর্ণবাসন সমাজ কল্যান ফাউন্ডেশন নাম দিয়ে এই এনজিও চালাই। তার কাছে মান্নানের ঠিকানা জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে তার বাড়ী সাতক্ষীরায় আর তার ফোন নম্বার ছাড়া আর কিছু জানিনা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সে আরও বলে, মনে করেন এর থেকে যদি দিনে ৫ হাজার টাকা আসে তাহলে সে নেয় ৩ হাজার এবং আমাকে দেয় ২ হাজার টাকা। সে এই কাজ কতদিন ধরে করছে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে মান্নানের সাথে আমার ২ বছরের পরিচয়, এই এলাকায় আমরা  ৫/৬ মাস ধরে আমরা এই কাজ করে আসছি।

এবিষয় উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার বলেন, আমাদেরকে এই রকম এনজিওর বিষয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোক জানতে আসে আমরা তাদেরকে সঠিক উত্তর দিতে পারিনা। আজ আমরা এই ভুয়া এনজিও তথ্য খুঁজে পেলাম।

এবিষয়ে হাদিপুর জগনাৎপুর ইসলামীয়া মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক ইয়াসমিন আক্তার জানান, বিগত ১ বছর আগে কালীগঞ্জ মৌতলা থেকে ২০ জনের মতো মহিলা হাদিপুর ঈদগাহে এসে ডেরা নামক এনজিও খোজ করে, তাদের কাছে খোজ করার কারণ জানতে চাইলে  এই এনজিও আমাদের আজ গরু ও ছাগল দিবে। পরে দেখা গেল আসলে ঐ এনজিও নয় ওরা প্রতারনার স্বীকার। আমাকে বেশ কিছু দিন ধরে এই এনজিও কর্মীর কথা বিভিন্ন লোকে বলে, সোমবার সকাল ১০ টায় এই কর্মীর খবর পেয়ে ঘটণা স্থলে গিয়ে তাদের ধরে ফেলে এলাকার জনগনের সহযোগিতা নিয়ে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার হারুন আর রশীদের নিকট নিয়ে যাই। সমাজ সেবা অফিসার থানার এসআই মাসুদকে ফোনে ডেকে তার নিকট প্রেরণ করে। সাংবাদিকরা যখন প্রতারকের নিকট প্রশ্ন করছিল তখন বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতারনার স্বীকার হওয়া পরিবারদের দেখা যায়। তাদের কাছ থেকে জানা মতে দেবহাটা নওয়াপাড়ার ১২ পরিবার, চারকুনীর ৭ পরিবার এবং হাদিপুরে ১০ পরিবার প্রতারীত হয়েছে।