দেবহাটায় সাবেক পোষ্ট মাষ্টার নজরুলের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনার তদন্ত সম্পন্ন


445 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেবহাটায় সাবেক পোষ্ট মাষ্টার নজরুলের  বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনার তদন্ত সম্পন্ন
সেপ্টেম্বর ১, ২০১৫ দেবহাটা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা :
সাতক্ষীরার দেবহাটার পোষ্ট অফিসের সাবেক পোষ্ট মাষ্টার নজরুল ইসলামের দূর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির মঙ্গলবার তদন্ত করেছে। সকাল ১১ টায় দেবহাটা পোষ্ট অফিসে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের উপস্থিতিতে তদন্ত সম্পন্ন করেন তারা। এসময় পোষ্ট অফিসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ, ভুক্তভোগী গ্রাহকবৃন্দ ,সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, দেবহাটা পোষ্ট অফিসের সাবেক পোষ্ট মাষ্টার নজরুল ইসলাম (যিনি বর্তমানে জেলহাজতে আছেন) দেবহাটায় চাকরী করাকালীন ১৫ জন গ্রাহকদের রক্ষিত সঞ্চয়পত্রের ৫৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ১৯ জন গ্রাহকের এফডি এসবি একাউন্টের আনুমানিক ৪২ লক্ষ টাকাসহ প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন।

গ্রাহকদেরকে তিনি তার স্বাক্ষরসহ পোষ্ট অফিসের বই ও জমা শ্লিপ দিলেও উক্ত টাকা রেজিষ্টারে জমা করেননি বলে অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি পোষ্ট অফিসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে পোষ্ট অফিসের কালীগঞ্জ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় নজরুল ইসলামকে আসামী করে গত ইং ১১ এপ্রিল একটি মামলা করেন। যার নং-১০।

এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পোষ্ট অফিসের খুলনা বিভাগের পোষ্ট অফিস সুপার মতিউর রহমানকে সভাপতি এবং খুলনা বিভাগের পোষ্ট অফিসের প্রশাসন বিভাগের পরিদর্শক কাজী এইচ.এস নুরুন্নবী, সাতক্ষীরার ইন্সপেক্টর গোলাম রহমান পাটোয়ারী ও কালীগঞ্জ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলামকে সদস্য করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার ভুক্তভোগী গ্রাহকদের উপস্থিতিতে তদন্ত করেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল গ্রাহকদের টাকা ফেরত প্রদানে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। আগামী সোমবার আবারো তদন্ত করা হবে। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ইতিপূর্বে পোষ্ট মাষ্টার কর্তৃক একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। আবারো সেই একই ঘটনা দেবহাটাতে ঘটলো। তদন্ত চলাকালীন অনেক গ্রাহক জানান, তাদের জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে তারা পোষ্ট অফিসে টাকা রেখেছিলেন। কিন্তু একজনের কারনে একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্টানের এধরনের বদনাম কখনো গ্রহনযোগ্য হতে পারেনা। তারা অবিলম্বে তাদের টাকা ফেরত দিতে যথাযথ কর্র্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।