দেশের প্রথম কাঁকড়া হ্যাচারি শ্যামনগরের কলবাড়িতে ভিয়েতনামী প্রযুক্তিতে যাত্রা শুরু


745 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেশের প্রথম কাঁকড়া হ্যাচারি শ্যামনগরের কলবাড়িতে ভিয়েতনামী প্রযুক্তিতে যাত্রা শুরু
আগস্ট ২৮, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

জাকির হোসেন মিঠু :
বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে কাঁকড়া পোনা হ্যাচারি যাত্রা শুরু করলো।
এর আগে সরকারি উদ্যোগে কক্সবাজারসহ দেশের কয়েকটি স্থানে কাঁকড়া পোনা হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শনিবার সাতক্ষীরার  শ্যামনগরের কলবাড়িতে ভিয়েতনামের প্রযুক্তি নিয়ে কাঁকড়া হ্যাচারি উদ্বোধন করা হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও পল্লী কর্ম সহায়তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্প উদ্বোধন করেন। বেসরকারি সংস্থা নোয়াবেকি গনমুখী ফাউন্ডেশন  এই প্রকল্পের পৃষ্ঠপোষক । তারা এতে পর্যাপ্ত অর্থায়ন করেছে।
এ সময়  ড. জাহেদা আহমদ , পিকেএসএফএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, সহ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের, ভিয়েতনামের উদ্যোক্তা মিস ফাম থি  হ্ ং, গনমুখী ফাউন্ডেশনের  চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ একরামুল করিম, গনমুখীর  নির্বাহী পরিচালক মো. লুৎফর রহমান ,  বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ মন্ডল, কাশিমাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রউফ , আটুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান  আবু সালেহ বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনকালে ড. খলীকুজ্জামান বলেন কাঁকড়া প্রকল্পটি প্রতি সার্কেলে চার লাখ পোনা উৎপাদনে সক্ষম। তিনি বলেন বাংলাদেশের গ্রামে বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় এই প্রকল্প একটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে অনেকের কর্ম সংস্থান হবে। তিনি বলেন দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল দুর্যোগ প্রবন হওয়ায় এবং জলবায়ূ পরিবর্তনজনিত ক্ষতির মুখে পড়ায় আমাদের সামাজিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। নতুন কাঁকড়া প্রকল্প পরিবার ভিত্তিক ছাড়াও বহুজন ভিত্ত্কি  প্রকল্প হিসাবে উপকারে আসবে।  তিনি বলেন এখন নদী দখল হয়ে যাচ্ছে , আর আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বিরান ভূমি রেখে যাবো তা হতে পারেনা। এজন্য পরিবেশ সংরক্ষনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে । তিনি জানান সরকার এ যাবত ৩১ শত কোটি টাকা পরিবেশ সংরক্ষনে ব্যয় করেছে । প্রতি বছরই সরকার এই খাতে বাজেট দিচ্ছে। এ কারণে দারিদ্র বিমোচনে কাজ করা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ্  সংবিধানে অসাম্প্রদায়িকতা , ন্যায়বিচার ইত্যাদির  উল্লেখ করে তিনি বলেন এখন ভিক্ষুককেও পুনর্বাসিত করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমাজ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমাদেরকে অতীতের  দিকে বিশেষ করে ৫২, ৫৪, ৬৯ , ৭০ এবং ১৯৭১ সালের  দিকে নজর দিতে হবে । ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ড. খলীকুজ্জামান বলেন আমাদের সম্পদ , সক্ষমতা এবং প্রশিক্ষন এই তিনের সমন্বয়ে দারিদ্র বিমোচনে এগিয়ে যেতে হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিয়েতনামী উদ্যোক্তা ফাম থি হং বলেন তিনি এদেশে প্রযুক্তি নিয়ে আসতে পারায় ধন্য। তিনি বলেন আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি।