দেশে আগামী ৭-৮ মাস খাদ্যের কোন সংকট হবে না : কৃষিমন্ত্রী


122 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেশে আগামী ৭-৮ মাস খাদ্যের কোন সংকট হবে না : কৃষিমন্ত্রী
মে ১৫, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আগামী ৭/৮ মাস দেশে খাদ্যের কোনো সংকট হবে না। আমাদের বোরোর উৎপাদন ভালো হয়েছে, আমরা আউশের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছি ২ লক্ষ মেট্রিক টন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে খাদ্যের সংকট হলেও আমাদের দেশে খাদ্যের সংকট হবে না।

ধানের দাম নিয়ে বৃহস্পতিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষি মন্ত্রী বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকরা তাদের ধানের ন্যায্য মূল্য পাবেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা ভেদে মোটা ও চিকন ধানের দাম বর্তমানে ৬৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আমরা আশা করছি এই দাম আরও বাড়বে এবং কৃষকরা ভালো দাম পাবে।

তিনি বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায় হাওরের বোরো ফসল প্রতিবছর কৃষকরা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ ঘরে তুলতে পারেন। কিন্তু এই মৌসুমে আমরা হাওরের শতভাগ বোরো ফসল ঘরে তুলতে পেরেছি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে যাতে খাদ্যের সংকট না হয় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা দেশের প্রতিটি প্রতিযোগীকে চাষের আওতায় নিয়ে আসছি। এখন থেকে কোন জমি পতিত থাকবে না। আমন মৌসুমে আমরা চেষ্টা করব ফসলের ফলন আরো বৃদ্ধি করার। এজন্য আমরা দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে আমন চাষের আওতায় নিয়ে এসেছি। যদিও এই মৌসুমে বন্যাসহ নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক সময় ফসলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বেশ কঠিন হয়। তারপরও আমরা আমনেরও সর্বোচ্চ ফলনের প্রত্যাশা করছি। একই সঙ্গে রবি শস্য উৎপাদনে আমরা বড় উদ্যোগ নিচ্ছি। আগামী রবি মৌসুমে যাতে ব্যাপকভাবে সবজিসহ অন্যান্য ফসল কৃষক ব্যাপকভাবে আবাদ করে সেজন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু ধান শাকসবজি নয়, সঙ্গে পোল্ট্রি শিল্প গবাদি পশু সেগুলোর উপরে জোর দিতে হবে।

করোনার দুর্যোগের কারণে কৃষককে প্রণোদনার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়কে বলেছি কৃষকদের ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের জন্য যুক্ত করা হয়। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রকৃত কৃষককে ঋণ দেয়া। কেউ যেন কৃষি ঋণের নামে ব্যাংক ঋণ নিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ না করে। এতে করে প্রকৃত কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই ব্যাংক যেন এককভাবে ঋণ না দিয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরসমূহের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই ঋণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে।