দেশে আরও ৩ করোনা রোগী শনাক্ত, আক্রান্ত বেড়ে ২০


145 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দেশে আরও ৩ করোনা রোগী শনাক্ত, আক্রান্ত বেড়ে ২০
মার্চ ২০, ২০২০ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
দেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও তিন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যদিয়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছ ২০ জনে।

শুক্রবার মহাখালীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এতথ্য জানিয়েছে।

নতুন করে আক্রান্ত হওয়া এই তিন ব্যক্তির একজন নারী ও দুইজন পুরুষ। এদের মধ্যে একজনের বয়স ৭০ বছরের বেশি; তাকে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর দেয় জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। আর বুধবার করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়। সুস্থ হয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতাল ছেড়েছেন তিনজন।

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়েছে; মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজারের বেশি মানুষের।

গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে। পরে তা চীনের অন্যান্য প্রদেশ এবং বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। ইতালি থেকে পুরো ইউরোপ এবং আফ্রিকা ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাস।

সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ফ্লুর মতো উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে কভিড-১৯। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখন পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুহার ৩.৪ শতাংশ, যেখানে মৌসুমি ফ্লুতে মৃত্যুহার থাকে ১ শতাংশের নিচে। তবে করোনায় ৯ বছরের নিচের কেউ মারা যায়নি। প্রবীণদের মধ্যেই মৃত্যুহার বেশি।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

করোনাভাইরাসের কোনো টিকা বা ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। ফলে এমন কোনো চিকিৎসা এখনও মানুষের জানা নেই, যা এ রোগ ঠেকাতে পারে। আপাতত একমাত্র উপায় হলো আক্রান্তদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।