‘দেশে গুম-হত্যা চলছে’


367 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘দেশে গুম-হত্যা চলছে’
আগস্ট ৩০, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ওয়াহেদ-উজ-জামান, খুলনা :
গুম একটি মানবতা বিরোধী অপরাধ। আন্তর্জাতিক আইনেও এটিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। অথচ: দেশে বর্তমানে গুম ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ভিন্ন মতাবলম্বী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা এর শিকার হচ্ছেন। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে গুম, অপহরণ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ কোন ধরণের মানবাধিকার লঙ্ঘণ স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেয়া যায়না।
রোববার গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে দেশের অন্যতম শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিট আয়োজিত গুম বিরোধী র‌্যালী ও মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন মুহাম্মদ নূরুজ্জামান এতে সভাপতিত্ব করেন।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০ টায় নগরীর ফুল মার্কেট মোড় থেকে র‌্যালী বের হয়ে পিকসার প্যালেস মোড় ঘুরে শহীদ হাদিস পার্কে গিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন চলাকালে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, দেশে ২০০৯ সাল থেকে গুমের ঘটনা ভয়ানক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সালের ২৯ আগষ্ট পর্যন্ত ২১২ জন গুমের শিকার হয়েছেন। মূলত: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের পর থেকে রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে গুমও বেড়ে গেছে। এতে দেশের সাধারণ নাগরিকরাও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সুষ্ঠু গণতন্ত্র চর্চা এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
কর্মসূচীতে বক্তৃতা করেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, দৈনিক সময়ের খবর’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান, সমাজ সংগঠক এস.এম সোহরাব হোসেন, সমাজ সেবক আলহাজ্ব শেখ নাজিমুদ্দিন আহম্মেদ, শেখ আব্দুল হালিম, শেখ আইনুল হক, হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস কেএম জিয়াউস সাদাত, মো. আলমগীর হোসেন চৌধূরী, এমএ আজিম, মোঃ জামাল হোসেন, জাহেদী আরমান, সাখাওয়াত হোসেন স্বপন, মোঃ ইমদাদুল হক, ফাহাদ ইসলাম, মিশারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, এস.এম আবুল হোসেন, মো. আল-আমিন তালুকদার প্রিন্স, মো. হাসিব শেখ, মো. শওকত হোসেন, মো. সাকিব হাসান, নাজিম উদ্দিন, মো. জিয়া, জুলহাস হোসেন, মো. দ্বীপ, সুজন, মো. নয়ন ও মো. হাসিব প্রমূখ।