দ্বিতীয় দিনেও গুলশানে বিক্ষোভে বিএনপির নেতাকর্মীরা


186 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
দ্বিতীয় দিনেও গুলশানে বিক্ষোভে বিএনপির নেতাকর্মীরা
ডিসেম্বর ৯, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় ঘিরে বিক্ষোভ করছে দলটির মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের কর্মী-সমর্থকরা। রোববার সকাল থেকে গুলশানের ওই কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে আছেন কয়েকশ’ কর্মী-সমর্থক।

কার্যালয়ের সামনের ফটক আটকে বিক্ষোভ করছেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. আবদুল্লাহর সমর্থকরা। মাথায় সাদা কাপড়ের ব্যান্ড লাগিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। তাদের কাউকে কাউকে প্রধান ফটকের গেটে ধাক্কা দিতেও দেখা যায়।

এ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ওই এলাকার বিএনপির কর্মী রাসেল বলেন, শাহ মোয়াজ্জেম এলাকায় যান না। তার সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের যোগাযোগ নেই। তার বয়সও হয়েছে। একজন তৎপর নেতাকে মনোনয়ন না দিলে এই আসন পাওয়া কঠিন হবে।

কার্যালয়ে আরেক ফটকের সামনে বসেছে কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মনজুরুল আহসান মুন্সির সমর্থকরা। তাদের অনেকের মাথায়ও সাদা কাপড় বাঁধা। এই আসনে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতনকে জাতীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ওই এলাকা থেকে আসা ছাত্রদল কর্মী মজিবর বলেন, মুন্সিভাই চারবারের সংসদ সদস্য। অথচ তাকে বাদ দিয়ে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে যিনি কখনও এলাকায় যান না। আমরা তাকে চিনি না, এই অবৈধ নমিনেশন মানি না।

এদিকে বিক্ষোভের মধ্যেই সকাল ১১টার দিকে কার্যালয়ের ভেতরে থেকে মাইকে সবাইকে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আজকে অফিস বন্ধ। এখানে বিক্ষোভ করে লাভ নেই। এখান থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় না।

ওই ভবনের একজন কর্মী জানান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা শনিবার গভীর রাতে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। রোববার দুপুর পর্যন্ত আর কেউ আসেননি।

এর আগে শনিবার বিকেলে চাঁদপুর-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য তৈমুর আলম খন্দকার, গোপালগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিমুজ্জামানের কর্মী-সমর্থকরা গুলশানের ওই কার্যালয় ভাংচুর করে। তাদের হামলার কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও নজরুল ইসলাম খানসহ দলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ওই কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।