ধান চাষ বিষয়ক সতেজীকরণ প্রশিক্ষণ


427 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
ধান চাষ বিষয়ক সতেজীকরণ প্রশিক্ষণ
এপ্রিল ১৯, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতি বছর বন্যা, খরা, জলাবদ্ধতা ও লবনাক্ততায় দেশের প্রধান খাদ্য শস্য ধান চাষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এরপর রয়েছে রোগ বালাইসহ পোকা মাকড়ের আক্রমন। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের প্রতিনিয়ত লড়াই সংগ্রাম করে ধান চাষ করতে হয়। আমন মৌসুমে ধান চাষ করা গেলেও বোরো/আউশ মৌসুমে তা সম্ভব হয় না। কারন মাটির নিচের পানি লোনা যা সেচ যোগ্য নয়। তাছাড়া খাল/জলাশয়/ডোবা/পুকুরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করলে তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে, উপকূলীয় অঞ্চলে হাজার হাজার বিঘা কৃষি জমি পতিত থাকে। তবে, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা শক্তিশালী করতে সরকারী বেসরকারী নানান প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল ফসল বীজ ও প্রযুক্তি সহায়তা করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে ধান চাষের উপর সতেজীকরণ প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে। বেসরকারী সংগঠন লিডার্স জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূণ জনগণের জীবন জীবিকা নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ কার্যক্রম আওতায় তিন দিন ব্যাপি এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। লিডার্সের কৃষিবিদ মো: সিরাজুল ইসলাম অংশগ্রহনকারী কৃষকদের  মাটি ব্যবস্থাপনা ও মাটির ধরন ভিত্তিক ধান জাত নির্বাচন, বীজ সংরক্ষণ, আন্ত:পরিচর্যা, ধান কাটা, মাড়াই ও সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। প্রশিক্ষণে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর কদমতলা, পশ্চিম ও পূর্ব জেলেখালী, ফুলতলা, ধানখালী এবং আইটপাড়া গ্রামের শতাধিক কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন।
প্রশিক্ষণ গস্খহনকারী কৃষাণী ববিতা রানী ও কৃষক সাদেক আলী পাড় বলেন,“লিডার্স এর প্রশিক্ষণ, বীজ ও প্রযুক্তি সহায়তায় আমরা লবন সহনশীল ধান ও সবজি চাষ করছি। এক জমিতে দুবার ফসল উৎপাদন করতে পারছি। পরিবারের খাবার চাহিদা পূরণ হচ্ছে”।