নদীর পানি ঘেরে দিয়ে লাখ লাখ টাকা টাকার বাণজ্যি


464 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নদীর পানি ঘেরে দিয়ে লাখ লাখ টাকা   টাকার বাণজ্যি
মে ৯, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর:

সীমান্তবর্তী কালিন্দা নদীর বাংলাদেশ সীমান্তে শ্যামনগর উপজেলার দুরমুজ খালীর বিওপির ক্যাম্পের সন্নিকটে ওয়াপদার গেট দিয়ে পানি তুলে ওই এলাকার চিংড়ী ঘের গুলিতে লোনা পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। ওই এলাকার ২/৩ হাজার বিঘা চিংড়ী ঘেরে পানি দিয়ে থাকেন, দুরমুজখালী এলাকার কৃন্ষপদ মাষ্টার নামের একব্যক্তি। তিনি বিঘা প্রতি ৭/৮ শত টাকা করে নিয়ে পানি সরবরাহ করে থাকেন। এভাবে হাজার হাজার বিঘা জমিতে পানি দিয়ে প্রতি বছর লাখ লাখ টাকার বানিজ্য অব্যহত রাখা হয়েছে।  এদিকে কৃন্ষপদ মাষ্টার ঘের মালিকদের অনেকটা জিম্মি করে এবং নানা কৌশলে বিঘা প্রতি চুক্তিতে এ টাকা তুলে থাকেন। এছাড়া তিনি আবার অন্যদের কাছে সাব লিজ দিয়ে পানির ব্যবসা জমিয়ে রেখেছেন। এদিকে সরকারী ভাবে এবং হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা আছে কোন পাউবোর গেট দিয়ে পানি উত্তোলন করা যাবেনা। এবিষয় বেলা নামক একটি বে- সরকারী সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ পানি  উত্তোলনের বিষয় নিষেধাজ্ঞা জারী করে।  হাইকোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পাউবোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চুক্তির ভিত্তিতে অবৈধ ভাবে ঘেরে পানি উত্তোলন করে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এদিকে কৃন্ষপদ মাষ্টার বলেন,আমি কালিগন্জ পাউবো অফিস থেকে ৯৩ সালে দুরমুজখালীর পাউবোর গেটটি লিজ নিয়ে পানি উত্তোলন করছি। তবে মোবাইল ফোনে আপনাকে সব কথা বলা যাবেনা। বর্তমানে পানি তোলার দ্বায়িত্বে রয়েছে,  নুরনগরের রফিকুল, নাজির ও গফুর। এদিকে রফিকুলেরর সাথে কথা হলে, সে বলেন, কৃন্ষপদ মাষ্টারের গেট দিয়ে পানি উত্তোলনে আমরা সহযোগিতা করে থাকি। তবে এখান থেকে ৪/৫শ” বিঘা জমিতে পানি তোলা হয়ে থাকে। শ্যামনগরের ৫ নং পোল্ডার, পাউবোর দ্বায়িত্বে থাকা এস ও ওবায়দুর রহমান বলেন, এভাবে কারা পানি উত্তোলন করছেন, আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি তদন্ত পুর্বক অব্যশই দেখবো।  এস কে সিরাজ / ৯/৫/১