নলতার সন্যাসীরচক স্কুলে জালিয়াতি করে দপ্তরী নিয়োগের অভিযোগ


218 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নলতার সন্যাসীরচক স্কুলে জালিয়াতি করে দপ্তরী নিয়োগের অভিযোগ
জুলাই ১, ২০১৯ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সোহরাব হোসেন সবুজ, নলতা ::

কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের ৭৬ নং সন্যাসীরচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেনদরবার করে জালিয়াতির মাধ্যমে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরীতে নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৪ জুলাই কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মদের স্বাক্ষরে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরীতে ১৪ জনের একটি তালিকা চুড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। ১৪টি স্কুলের জন্য এই ১৪ জনের মধ্যে সন্যাসীরচক স্কুলের জন্য এ পদে স্থান পায় সন্যাসীরচক গ্রামের মৃতঃ নুরুল ইসলামের পুত্র গোলাম হোসেন। কিন্তু চুড়ান্ত অনুমোদনে চাকরী পাওয়ার তালিকায় আল আমিন হোসেন নামের কোন নামই ছিল না। অথচ ঐ গ্রামের মোক্তার আলী গাজীর ছেলে সেই আল আমিন হোসেন এখন এ পদে চাকুরী করে যাচ্ছে। কিন্তু কি করে?
জানা যায়, সম্পদশালী ব্যক্তি আল আমিনের পিতা মোক্তার গাজী। মোটা অংকের দেন দরবার করে স্কুলের সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় এক নেতাকে ম্যানেজ করে ফেলে মোক্তার গাজী। তাদের দ্বারা বিভিন্ন কাগজ পত্র তৈরি করে স্কুলের দপ্তরী পদে যোগদান করে আলামিন হোসেন। এদিকে চাকরী পাওয়া অসহায় পরিবারের ছেলে গোলাম হোসেন ও তার মাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় আলামিন হোসেন। বিভিন্ন মামলায় ঢুকানোর হুমকিও দেওয়া হয় তাকে। অহরহ তাদের এসব চাপে পড়ে এলাকা ছাড়তে হয় গোলাম হোসেনকে। কারন তাকে এলাকা ছাড়া না করতে পারলে তো অবৈধ চাকরী করা অসম্ভব হয়ে যাবে। পরে কিছু মানুষের আশ্বাস আর সহযোগিতায় বাড়ী ফেরে গোলাম। আলামিনের অবৈধ চাকরীর বিরুদ্ধে মামলা করে সাতক্ষীরার আদালতে। মামলাটি চলমান আছে। আইন ও আদালতের প্রতি গোলামের বিশ্বাস, তার যোগ্যতাবলে প্রকৃতভাবে পাওয়া চাকরী সে ফিরে পাবে। আর সে আশায় আজও কাগজপত্র নিয়ে দ্বারে দ্বারে ছুটছে গোলাম হোসেন।
এবিষয় জানতে গেলে বার বার ফোন দিয়েও প্রধান শিক্ষক শিবানী রাণীর ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। আলামিনের সাথে যোগাযোগ করলে তার স্ত্রী ফোনে বলেন বাড়ীতে নাই।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে স্কুলের ম্যানিজিং কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং, উভয়ের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে প্রকৃত নিয়োগ প্রাপ্তকারীকে স্কুলের দপ্তরী পদে বহাল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দাবী তুলেছেন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দসহ এলাকার সচেতন মহল।

#