নারদকাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন


157 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নারদকাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন
মে ১৭, ২০২১ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সাড়া জাগানো নারদ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী ও সাবেক মেয়র ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে। গ্রেপ্তার হয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ও।

সোমবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জনিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকাসহ একাধিক সংবাদ মাধ্যম।

সকালে কলকাতার সাবেক মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল ৯টার দিকে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)।

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় ফিরহাদ বলেন, ‘নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল।’ ফিরহাদ আরও বলেন, ‘স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব।’

এদিন সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর।

যদিও সিবিআই সূত্রে প্রথমে দাবি করা হয়, গ্রেপ্তার করা হয়নি ফিরহাদকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানা যায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে।

সূত্রের খবর, সোমবারই নারদকাণ্ডে এই চার জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদালতে জমা দেবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

কিছুদিন আগেই নারদ মামলায় চার্জশিট গঠনের অনুমতি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেই মামলার সূত্রেই অভিযান বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও সিবিআই এ বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২০১৬ সালের মার্চ মাসে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একদল নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কের অর্থ গ্রহণের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে আলোচনায় আসে দিল্লির নারদ নিউজ ডটকম নামের একটি ওয়েব পোর্টাল।

ওইদিন তারা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, মন্ত্রী, বিধায়কদের গোপনে অর্থ গ্রহণের ফুটেজ ফাঁস করে। ওই স্টিং অপারেশনের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীর ঘরে ঘরে, হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে টাকা।