নাসিক নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক কম হয়েছে : সংসদে এমপি হারুন


149 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নাসিক নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক কম হয়েছে : সংসদে এমপি হারুন
জানুয়ারি ১৭, ২০২২ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

সদ্য সমাপ্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তুলনামূলক কম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। সোমবার সংসদের বৈঠকে নিজের নির্বাচনী এলাকা চাপাইনবাবগঞ্জে স্থানীয় সরকার নির্বাচন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমার এলাকার চেয়ে তুলনামূলকভাবে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক কম হয়েছে। কিন্তু এখানে মাত্র ৫০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।’

সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

হারুনুর রশীদ বলেন, ‘গত ৩০ নভেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর আমাদের ইউপি নির্বাচনগুলো হয়েছে। আমি গত অধিবেশনে আবেদন করেছিলাম, অন্তত পক্ষে আমার জনগণ যাতে ভোট দিতে পারেন। এটার নিশ্চয়তা চেয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকায় ভোটের দিন ৫০ জন সাংবাদিকের সামনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছি। সেই দিন কোনো নির্বাচন হয়নি।’

হারুন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে জনগণের আগ্রহ ও উৎসাহ একেবারেই নেই। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তিনবছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন। সেখানে সুস্পষ্ট বলেছিলেন- দুর্নীতিবাজ যেই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না। এটা সুর্নিদিষ্টভাবে বলেছিলেন। দুর্নীতির সংজ্ঞা হচ্ছে- অসাদুপায় অবলম্বন করা। আপনি অসাদুপায় অবলম্বন করে নির্বাচন করেন, নির্বাচিত হোন। অসাদুপায় অবলম্বন করে নিয়োগ পান, ভর্তি হন কিংবা যেকোনো জায়গায় কর্ম বাস্তবায়ন করেন। এটা আমাদের ইসলাম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’ এ সময় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

হারুন সরকার দলীয় সাংসদদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এত অধৈর্য হবেন না প্লিজ। এত অধৈর্য হচ্ছেন কেন? যা সত্য, তা বলার অন্তত সুযোগ স্পিকার আমাকে দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করবো- আমার নির্বাচনী এলাকায় যে পৌর নির্বাচন হয়েছে, তাতে যে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন কিনা? এটি আমার দাবি। না হলে কেন আমরা সংসদে থাকবো? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন কথা দিয়েছিলো। তারপরও নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।’ এই সময় স্পিকার তার মাইক বন্ধ করে দেন।