নির্ধারিত সময়ে শেষ হলো না সাতক্ষীরা চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মান কাজ


2012 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নির্ধারিত সময়ে শেষ হলো না সাতক্ষীরা চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মান কাজ
জানুয়ারি ৬, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

গোলাম সরোয়ার :
নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও নির্মান কাজ শেষ হলো না সাতক্ষীরার চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের লোকজন আরো দেড় বছর বাড়িয়েছে প্রকল্পটির মেয়াদ। দ্বিতীয় দফা সময়ের মধ্যে ৭ মাস চলে গেছে। বাকি সময়ের মধ্যে ভবন হস্তান্তর করা যাবে কি না তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।
অন্যদিকে সাতক্ষীরার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকার্য ব্যাহত হচ্ছে এজলাস সংকটের কারনে। একই এজলাসে একজন বিচারক যখন বিচার কাজ পরিচালনা করেন তখন অপর বিচারক অপেক্ষায় থাকেন কখন এজলাস শেষ হবে তার পর তিনি উঠবেন এজলাসে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট মো. আবুল হোসেন জানান, সাতক্ষীরার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলোতে যে পরিমান মামলা রয়েছে তাতে নতুন আদালত ভবন নির্মান খুবই জরুরী। বর্তমান যে সব এজলাসে বিচারকগন বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তা অত্যান্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে। তিনি আরো বলেন, এজলাসের অভাব এতই প্রকট যে বিচারকগনকে অপেক্ষা করতে হয় কখন কোন এজলাসে বিচার শেষ হবে অতপর আরেকজন বিচারক সেই এজলাসে বসবেন। ফলে নির্মানাধীন কাজ দ্রুত শেষ করা না গেলে বিচারকার্য ব্যাহত হবে।
সাতক্ষীরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহাকারী প্রকৌশলী মো.মিজানুর রহমান জানান, বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলা সদরের চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবন নির্মান (প্রথম পর্যায় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরায় একটি নির্মান কাজের টেন্ডার হয় গত ২০১২ সালে। টেন্ডার অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ পান ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ট ঈ এবং যশোরের ঠিকাদারী প্রতিস্টান ঘ ঐ যৌথ ভাবে। সুত্রটি জানায়, সাতক্ষীরাতে ১২তলা বিশিষ্ট চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মানের পরিকল্পনা থাকলেও প্রথম পর্যায়ে সংশোধিত আকারে ২৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫তলা বিশিষ্ট আদালত ভবন নির্মান কাজ হাতে নেয়া হয়। প্রকল্পের কার্যাদেশ অনুযায়ী গত ৩১ মে ২০১৫ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্টান দুটো তা পারেনি। পরবর্তীতে প্রকল্পের মেয়াদ আরো দেড় বছর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ আগামী ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের কাজ দ্বিতীয় দফায় শেষ করার জন্য বলা হয়েছে।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফ্রান্সিস আশীষ ডি. কস্তা জানান, যে হেতু এটি অনেক বড় প্রকল্প। কিন্ত সংশোধিত করার কারনে কালক্ষেপন হয়। ফলে প্রথম পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্টান কাজ শেষ করতে পারেনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে। তবে পরবর্তীতে যে সময় তাদের দেয়া হয়েছে আশা করছি তার আগেই ভবন হস্তান্তর করা যাবে। তাছাড়া খুব শীঘ্রই আপাতত দুটি এজলাস কক্ষ হস্তান্তর করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানদ্বয়কে তাগিত দেয়া হচ্ছে।