নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন বাসীর মুখে হাসি ফোটাবো : কুমিরার চেয়ারম্যানপ্রার্থী কাজী হিল্লোল


454 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন বাসীর মুখে হাসি ফোটাবো : কুমিরার চেয়ারম্যানপ্রার্থী কাজী হিল্লোল
ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৬ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

কামরুজ্জামান মোড়ল :
তালার ৪ নং কুমিরা ইউনিয়নের তরুণ উদীয়মান সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত আদর্শ গূনাবলীর একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল। ইউনিয়ন বাসীর যেখানে সমস্যা সেখানেই সাহায্যের হাতটি বাড়িয়ে দিতে তিনি কুন্ঠাবোধ করেন না। আওয়ামী রাজনীতির সাথে ছাত্রজীবন হতে জড়িয়ে সকল আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অসীম সাহসী আর অসত্যের বিরুদ্ধে যিনি আপোষহীন তাদের ভেতর কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল একজন। বর্তমানে কুমিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমার পিতা কাজী তবিবর রহমান সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি। আমাদের পরিবারটি আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ইউনিয়নের প্রায় সকল কাজে আমার এবং আমার পিতার কমবেশি অবদান রয়েছে। ইউনিয়ন বাসী আমাদের যে সম্মান দিয়েছে এবং দিয়ে আসছে তা ভোলার নই। ১৯৯৫ সালে আমি পাটকেলঘাটা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়। সেই থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করি এবং দলের পরামর্শ অনুযায়ী ১৯৯৬ সালের ১৫ ই ফেব্রƒয়ারির নির্বাচনে ভোট বানচালের দায়িত্ব গ্রহণ করি। অদ্যবধি ১/১১ পর্যান্ত  বিভিন্ন সময়ে আমার নামে ২৭ টি মামলা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০০১ পর্যান্ত সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করি। ২০০১ সালে জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরের দিন আমার বাড়ীতে হামলা হয় এবং আমি অল্পের জন্য প্রাণে বেচে যায়। যে কারণে দীর্ঘ ১ বছর পরিবার পরিজন নিয়ে আমাকে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। ২০০২ সালে তালা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক, ২০০৩ হতে ২০১৫ সাল পর্যান্ত উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ২০১৪ সালের ৩০শে নভেম্বর হতে জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করি। বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের য্গ্নু আহবায়ক এর দায়িত্ব সুনামের সহিত পালন করে চলেছি।  তিনি জানান, ২০০৪ সালে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সেই সময়ের বি.এন.পি’র তালা উপজেলার সভাপতি এ.বি.এম আলতাফ হোসেনের হত্যা মামলার হুকুমদাতা আসামী করে সেই মামলায় আমি ১১৮ টি দিন কারাভোগ করি। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সার্বিকভাবে চেষ্টা করে চলেছি এবং কখনও আদর্শচ্যুত হয়ে কোনো অন্যায় কাজে জড়িত ছিলাম না এমনকি আর্থিক কেলেঙ্কারি আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি।
বর্তমানে ইউনিয়নের মানুষের সেবা অব্যাহত রেখেছি। দল যদি আমাকে দক্ষ, যোগ্য, সৎ সাহসী  সহ  সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে মনোনয়ন দেয় তবে দৃঢ় বিশ্বাস এ বিজয় আমি ছিনিয়ে আনবোই।