নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্চিতকারিদের গ্রেপ্তার দাবীতে সাতক্ষীরা পাউবো কর্মবিরতি


617 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্চিতকারিদের গ্রেপ্তার দাবীতে সাতক্ষীরা পাউবো কর্মবিরতি
মে ৩১, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিককে লাঞ্চিতকারিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবীতে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রাঙ্গণে দ্বিতীয়দিনের মত কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো কর্মবিরতি, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি কর্মবিরতি পালন করেন। এর মধ্যেই চলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জাতীয় শ্রমিক-কর্মচারী লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ নুরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক নাজমুল হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল রহমান, ফারুক হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু হানিফ, মোহাম্মদ আলি সেলিম, অনুপ কুমার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন. কয়রার ঘাটাখালীতে নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিককে লাঞ্চিতকারি ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। কোন কারন ছাড়াই অযৌক্তিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের হেনস্থা করছে দুর্বৃত্তরা। কেন্দ্রিয়ভাবে বরাদ্দ ও টেন্ডার পাওয়া সাপেক্ষে বেড়িবাঁধের কাজ সম্পন্ন হয়।

অথচ ঘাটাখালীতে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে নির্বাহী প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের লাঞ্চিত করা হয়েছে। বক্তারা লাঞ্চিতকারি ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদানের আহবান জানান। নইলে আরো কঠোর কর্মসূচি প্রদান করার হুশিয়ারী ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ঘাটাখালীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরির্দশনে যান সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-সহকারীসহ কতিপয় কর্মকর্তা। এসময় কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান, ঘাটাখালী ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম নৌকায় করে নির্বাহী প্রকৌশলীকে আরো কিছু এলাকা পরিদর্শনের অনুরোধ জানান। কর্মকর্তারা চেয়ারম্যানের কথামত নৌকায় করে পরিদর্শনে যান।

এদিকে নৌকাটি কিছুদুর গেলে চেয়ারম্যানের নির্দেশে কতিপয় যুবক পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের নৌকা থেকে জোরপূর্বক নামিয়ে বাঁধের উপর ফেলে লাঞ্চিত করে। এঘটনায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিন কয়রা থানায় মামলা করেন।
##